প্রেসিডেন্সি জেল থেকে বাড়ি ফিরলেন ফিরহাদনারদাকাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোমবার রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রীকে তুলে নিয়ে যায় সিবিআই। অবশেষে কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে শুক্রবার সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরলেন ফিরহাদ হাকিম। এদিন সন্ধ্যায় প্রেসিডেন্সি জেল থেকে পুলিশের গাড়িতেই চেতলায় নিজের বাড়িতে ফিরলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যতম আস্থাভাজন এই তৃণমূল নেতা। বাড়ি ফিরলেও অবশ্য এখন গৃহবন্দিই থাকতে হবে তাঁকে। মেনে চলতে হবে বিধিনিষেধ। এই পরিস্থিতিতে বাড়িতে বসেই আপাতত কলকাতার করোনা পরিস্থিতির মোকাবিলা করবেন পুরমন্ত্রী।
শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ফিরহাদ হাকিম-সহ ৪ নেতা-মন্ত্রীকে গৃহবন্দি রাখার নির্দেশ দেন। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মতন এই মামলা চলাকালীন ফিরহাদ হাকিম চেতলার বাড়িতেই গৃহবন্দি থাকবেন। কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা বাড়িতে মোতায়েন থাকবেন। সেইসঙ্গে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মতন বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো থাকবে। যদিও কলকাতা হাইকোর্টের স্টিং অপারেশনের মামলার এখনো পর্যন্ত বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে। এই মামলায় বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করেছে কলকাতা হাইকোর্ট আগামী সোমবার সেই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। সেইসঙ্গে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মতন করোনা পরিস্থিতি বাড়িতে বসেই মোকাবেলা করতে হবে ফিরহাদ হাকিমকে। এমনকি প্রয়োজনে তিনি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কলকাতার মানুষের অভাব অভিযোগ এবং কলকাতা কর্পোরেশনের নানা কাজকর্ম সারবেন, এমনটাই নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
এদিকে ফিরহাদ জেলবন্দি হওয়ার পর বৃহস্পতিবার নবান্নের সাংবাদিক বৈঠকে তাঁর ভূয়সী প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনা মোকাবিলায় তিনি যে কাজ করছেন তা স্মরণ করিয়ে ফিরহাদ হাকিমকে কাজের ছেলেও বলতে শোনা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতে তাঁর প্রমাণও দিলেন ফিরহাদ। চেতলার বাড়িতে ফিরেই কোভিড মোকাবিলায় আধিকারিকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে বসলেন কলকাতার পুর প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম।