Taratala Incident : তারাতলা বিপর্যয়ে মানবাধিকার কমিশনের কড়া পদক্ষেপ, মুখ্যসচিব-সহ ৩ আধিকারিককে নোটিস

কমিশনের পর্যবেক্ষণ, সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য সঠিক হলে এটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের একটি গুরুতর ঘটনা। তাই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব, কলকাতার পুলিশ কমিশনার এবং পুর কমিশনারকে দুই সপ্তাহের মধ্যে বিস্তারিত তদন্ত-রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

Advertisement
তারাতলা বিপর্যয়ে মানবাধিকার কমিশনের কড়া পদক্ষেপ, মুখ্যসচিব-সহ ৩ আধিকারিককে নোটিসতারাতলাকাণ্ডে সক্রিয় মানবাধিকার কমিশন
হাইলাইটস
  • জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের ভিত্তিতে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে এই ঘটনা নথিভুক্তি করেছে
  • প্রতিবেদনে উল্লেখ, ২৪ জুন ২০২৬ তারিখে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা জেলার তারাতলা এলাকায় নির্মীয়মাণ একটি গুদামঘর ধসে পড়ায় অন্তত পাঁচজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে

কলকাতার তারাতলায় নির্মীয়মাণ গুদাম ধসে পড়ে শ্রমিকদের মৃত্যু এবং ২০ জনের আহত হওয়ার ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা গ্রহণ করল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বা NHRC। অভিযোগ, ত্রুটিপূর্ণ নির্মাণ পরিকল্পনার কারণেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে।

এই ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব, কলকাতার পুলিশ কমিশনার এবং কলকাতা পুরসভার কমিশনারকে নোটিস জারি করেছে কমিশন। দুই সপ্তাহের মধ্যে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

মানবাধিকার কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, তারাতলায় ওই রকম দুর্ঘটনা কেন ঘটল তার বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে তদন্তের বর্তমান অবস্থা, মৃত ও আহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়ে থাকলে সেই সংক্রান্ত তথ্যও উল্লেখ করতে হবে।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের ভিত্তিতে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে এই ঘটনা নথিভুক্তি করেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ, ২৪ জুন ২০২৬ তারিখে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা জেলার তারাতলা এলাকায় নির্মীয়মাণ একটি গুদামঘর ধসে পড়ায় অন্তত পাঁচজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে এবং আরও ২০ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া ধ্বংসস্তূপের নিচে অন্তত ১২ থেকে ১৫ জন আটকে পড়েছিলেন বলেও আশঙ্কা করা হয়েছিল। অভিযোগ, ত্রুটিপূর্ণ নির্মাণ পরিকল্পনার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটে।

কমিশনের পর্যবেক্ষণ, সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য সঠিক হলে এটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের একটি গুরুতর ঘটনা। তাই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব, কলকাতার পুলিশ কমিশনার এবং পুর কমিশনারকে দুই সপ্তাহের মধ্যে বিস্তারিত তদন্ত-রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

২৫ জুন ২০২৬-এ প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনার সময় প্রায় ৪০ জন শ্রমিক নির্মাণস্থলে কাজ করছিলেন। সেই সময় নির্মীয়মাণ গুদামঘরের লোহার কাঠামোর ওপর কংক্রিট ঢালাই চলাকালীন হঠাৎ পুরো কাঠামোটি ভেঙে পড়ে। ফলে বহু শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন।

প্রসঙ্গত, তারাতলার বিপর্যয়ে কমপক্ষে ১৫ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়।
অভিযোগ, অনুমোদিত বিল্ডিং প্ল্যানেই ত্রুটি ছিল, যার ফলেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার তদন্তে নেমে প্রাথমিকভাবে ৬ জনধরা পড়ে। পরে আরও ৫ জনকে তলব করা হয় পুলিশের তরফে। 

Advertisement

কলকাতা পুরসভার বিল্ডিং বিভাগের দাবি, পোক্ত ইস্পাতের কাঠামোর ওপর গোডাউনটি গড়ে না তোলায় হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছে সেটি। প্ল্যানের নকশা মেনে কাজ হচ্ছিল না। একটি পিলারের সঙ্গে অন্য পিলারের অনেক বেশি দূরত্ব ছিল। এমন অনেক ফাঁকফোঁকর সামনে আসে। 

POST A COMMENT
Advertisement