Newtown Durga Puja 2026: DJ-র বদলে গ্রামোফোন! নিউটাউনের CA ব্লকের পুজোয় অভিনব চমক

Newtown Durga Puja 2026: মুঠোফোনে আঙুল ছোঁয়ালেই এখন হাজার হাজার গান। পছন্দের শিল্পীর গান শুনতে আর অপেক্ষা করতে হয় না। কিন্তু এক সময় গান শোনার আনন্দের সঙ্গে জড়িয়ে ছিল গ্রামোফোনের চাকতি, সুই আর যন্ত্রের মায়াবী আওয়াজ।

Advertisement
DJ-র বদলে গ্রামোফোন! নিউটাউনের CA ব্লকের পুজোয় অভিনব চমকপুরনো দিনের গান ও সঙ্গীতের ইতিহাসকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।
হাইলাইটস
  • মুঠোফোনে আঙুল ছোঁয়ালেই এখন হাজার হাজার গান।
  • পছন্দের শিল্পীর গান শুনতে আর অপেক্ষা করতে হয় না।
  • হারিয়ে যাওয়া সময়কেই এ\বার দুর্গাপুজোর মণ্ডপে ফিরিয়ে আনতে চলেছে নিউটাউন সিএ ব্লক কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন।

Newtown Durga Puja 2026: মুঠোফোনে আঙুল ছোঁয়ালেই এখন হাজার হাজার গান। পছন্দের শিল্পীর গান শুনতে আর অপেক্ষা করতে হয় না। কিন্তু এক সময় গান শোনার আনন্দের সঙ্গে জড়িয়ে ছিল গ্রামোফোনের চাকতি, সুই আর যন্ত্রের মায়াবী আওয়াজ। সেই হারিয়ে যাওয়া সময়কেই এবার দুর্গাপুজোর মণ্ডপে ফিরিয়ে আনতে চলেছে নিউটাউন সিএ ব্লক কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। নবম বর্ষের পুজোয় তাদের ভাবনা গ্রামোফোন। পুরনো দিনের গান ও সঙ্গীতের ইতিহাসকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।

ছবি: নিউটাউন সিএ ব্লক কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন।
ছবি: নিউটাউন সিএ ব্লক কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন।

নিউটাউনের পুজোয় অতীতের সুর
এক সময়ে বাঙালির ঘরে ঘরে বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম ছিল গ্রামোফোন। রেকর্ডে বন্দি গান শুনতে পরিবারের সকলে একসঙ্গে বসতেন। সময় বদলেছে। গ্রামোফোনের জায়গা নিয়েছে রেডিয়ো, ক্যাসেট, সিডি এবং এখনকার ডিজিটাল অ্যাপ। সেই পরিবর্তনের মধ্যে হারিয়ে গিয়েছে গানের এক বিশেষ অভিজ্ঞতা। নিউটাউনের এই পুজোর মাধ্যমে সেই স্মৃতিই ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন উদ্যোক্তারা।

গ্রামোফোনকে শুধু একটি পুরনো যন্ত্র হিসেবে দেখাতে চান না তাঁরা। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে একটি সময়ের সংস্কৃতি, মানুষের আবেগ এবং বাংলা গানের ইতিহাস। তাই মণ্ডপের ভাবনায় জায়গা পাবে গ্রামোফোন কোম্পানির সূচনার কাহিনি। পাশাপাশি সঙ্গীতের স্বর্ণযুগে যাঁরা নিজেদের কণ্ঠ ও প্রতিভা দিয়ে শ্রোতাদের মন জয় করেছিলেন, তাঁদের অবদানও তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।

ডিজের বদলে গ্রামোফোনের মাধুর্য্য
এ বারের পুজোয় উচ্চ শব্দের ডিজে নিয়ে বিতর্কের আবহে অন্য পথ বেছে নিয়েছেন নিউটাউনের এই পুজো উদ্যোক্তারা। মুখ্যমন্ত্রীর ডিজে নিষিদ্ধ করার ভাবনাকে সম্মান জানিয়ে তাঁরা গ্রামোফোনকে থিমের কেন্দ্রে রেখেছেন। পুরনো দিনের সুরের মাধ্যমে উৎসবের পরিবেশকে আরও স্নিগ্ধ করে তোলার চেষ্টা থাকবে।

এই আয়োজনের লক্ষ্য শুধু প্রবীণদের নস্টালজিয়ায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া নয়। যাঁরা কখনও গ্রামোফোন দেখেননি, সেই নতুন প্রজন্মও জানতে পারবে গান শোনার পুরনো পদ্ধতি সম্পর্কে। প্রযুক্তি বদলালেও সঙ্গীতের আবেদন যে অমলিন, সেই বার্তাই দিতে চায় নিউটাউন সিএ ব্লক কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। এবার পুজোয় তাই আধুনিকতার ভিড়ে অতীতের সুর খুঁজে পাওয়ার অপেক্ষা। 

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement