'দেশের মুখ্যমন্ত্রীদের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত', শুভেন্দুকে দরাজ সার্টিফিকেট নিতিনের

রাজ্যে এসেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। সফরের দ্বিতীয় দিন পানিহাটিতে ‘অঙ্গন মিলন সেবা’ অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও। আর এই অনুষ্ঠানেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে দরাজ সার্টিফিকেট দেন নিতিন।

Advertisement
'দেশের মুখ্যমন্ত্রীদের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত', শুভেন্দুকে দরাজ সার্টিফিকেট নিতিনেরভেন্দুকে দরাজ সার্টিফিকেট নিতিনের

রাজ্যে এসেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। সফরের দ্বিতীয় দিন পানিহাটিতে ‘অঙ্গন মিলন সেবা’ অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও। আর এই অনুষ্ঠানেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে দরাজ সার্টিফিকেট দেন নিতিন। জানিয়ে দেন দেশের মুখ্যমন্ত্রীদের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত কাজ করছেন শুভেন্দু। 

প্রসঙ্গত, পানিহাটির  অনুষ্ঠানে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের জন্য বড় ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বলেন, 'অগাষ্টেই অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বেতন ৫০০০ টাকা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।  দিদিদের আয়ুষ্মান ভারতে যুক্ত করা হয়েছে। এর আওতায় দেশের ৩৮ টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনা খরচে মিলবে চিকিৎসা।'  শিশুদের স্বার্থে খাবারের বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে বলেও এদিন ফের জানান মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, 'শিশুদের খাবারের বরাদ্দ ২ টাকা বাড়িয়ে ৮ টাকা করা হয়েছে। প্রসূতিদের ১২ থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ১৪ টাকা। এই মুহূর্তে ১৯ হাজার অঙ্গনওয়াড়ি চলছে ভাড়া করা বাড়িতে। আগামীতে সেগুলো সরকারের নিজস্ব ঠিকানায় হবে। তার জন্য অর্থ বরাদ্দও করা হয়েছে।' এখানেই শেষ নয়, আইসিডিএস কেন্দ্রে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দেওয়া হবে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।  অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের ভূয়সী প্রশংসা করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনও। বলেন, ওদের হাতেই দেশের ভবিষ্যৎ। 

বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা
এদিন শুভেন্দু অধিকারীর ভূয়সী প্রশংসা করেন নিতিন নবীন। জানিয়ে দেন, দেশের মুখ্যমন্ত্রীদের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত কাজ করছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দুর নেতৃত্বে এগিয়ে যাবে বাংলা। ২০৪৭ সালে দেশের একনম্বর রাজ্য হয়ে উঠবে। পাশাপাশি বাংলায় পালা বদলের জন্য রাজ্যবাসীকেও ধন্যবাদ জানান নিতিন নবীন। 

গঙ্গাসাগরেও যান
দু’দিনের বঙ্গ সফরের দ্বিতীয় দিনের সকালে গঙ্গাসাগরে যান বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। গঙ্গা ও সাগরের মিলনস্থলে  পুণ্যস্নান সারেন তিনি। এরপর গঙ্গাবন্দনা করে পৌঁছে যান কপিলমুনির আশ্রমে। সেখানে নিয়ম মেনে পুজোও দেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি।

Advertisement

এদিন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই গঙ্গাসাগরে পৌঁছন নীতিন নবীন। তাঁকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী দীপঙ্কর জানা-সহ জয়নগর এবং মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপির জেলা সভাপতিরা। গঙ্গাসাগরে পৌঁছেই প্রথমে স্নানঘাট পরিদর্শন করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। সেখানকার পরিস্থিতি এবং পুণ্যার্থীদের ব্যবস্থাপনা ঘুরে দেখেন তিনি। এরপর গঙ্গাসাগরের পুণ্যভূমিতে পুণ্যস্নান সারেন নীতিন নবীন। গঙ্গাবন্দনা করেন। ধর্মীয় রীতি মেনে পুজো-অর্চনার পর তাঁর গন্তব্য ছিল কপিলমুনির আশ্রম।

POST A COMMENT
Advertisement