Kolkata Police: আগামী ৬০ দিন কলকাতার এই এলাকাগুলিতে জমায়েত নিষিদ্ধ, ৫-৬ জনের জটলাও নয়, কেন?

শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মধ্য কলকাতার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ৬০ দিনের জন্য সমাবেশ, বিক্ষোভ ও জনসমাগমের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কলকাতা পুলিশ। সম্ভাব্য অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা এড়াতেই এই পদক্ষেপ বলে জানানো হয়েছে পুলিশের তরফে।

Advertisement
আগামী ৬০ দিন কলকাতার এই এলাকাগুলিতে জমায়েত নিষিদ্ধ, ৫-৬ জনের জটলাও নয়, কেন?
হাইলাইটস
  • শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মধ্য কলকাতার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ৬০ দিনের জন্য সমাবেশ, বিক্ষোভ ও জনসমাগমের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কলকাতা পুলিশ।
  • সম্ভাব্য অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা এড়াতেই এই পদক্ষেপ বলে জানানো হয়েছে পুলিশের তরফে।

শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মধ্য কলকাতার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ৬০ দিনের জন্য সমাবেশ, বিক্ষোভ ও জনসমাগমের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কলকাতা পুলিশ। সম্ভাব্য অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা এড়াতেই এই পদক্ষেপ বলে জানানো হয়েছে পুলিশের তরফে।

পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকারের জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারার অধীনে এই নির্দেশ কার্যকর করা হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা ৪ মার্চ থেকে ২ মে পর্যন্ত অথবা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

পুলিশ সূত্রে খবর, নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, কিছু জায়গায় হিংসা, বিক্ষোভ বা বড় ধরনের জমায়েত হলে তা জনশৃঙ্খলা ও শান্তি ভঙ্গের কারণ হতে পারে। তাই আগাম সতর্কতা হিসেবে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়া এলাকাগুলির মধ্যে রয়েছে বউবাজার থানা এলাকা, হেয়ারস্ট্রিট থানা এবং হেডকোয়ার্টার্স ট্রাফিক গার্ডের অধীন বেশ কিছু অংশ। এছাড়া কেসি দাস ক্রশিং থেকে ভিক্টোরিয়া হাউস সংলগ্ন এলাকাও এই নির্দেশের আওতায় পড়েছে। তবে বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটের কিছু অংশ এই নিষেধাজ্ঞা থেকে বাদ রাখা হয়েছে।

এই নির্দেশ অনুযায়ী, পাঁচ বা তার বেশি ব্যক্তির বেআইনি জমায়েত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পাশাপাশি লাঠি বা অন্য কোনও বিপজ্জনক অস্ত্র বহন করাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শান্তি ভঙ্গের সম্ভাবনা এড়াতে সভা, মিছিল, ধর্না বা বিক্ষোভ কর্মসূচিও আপাতত বন্ধ রাখা হবে।

পুলিশের দাবি, ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকায় যানজট ও দুর্ভোগ এড়াতে এবং সামগ্রিক জনস্বার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যেহেতু প্রত্যেক ব্যক্তিকে আলাদা করে নোটিস দেওয়া সম্ভব নয়, তাই এই নির্দেশ একতরফাভাবে জারি করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যম, কলকাতা পুলিশ গেজেট এবং সংশ্লিষ্ট থানার নোটিস বোর্ডে কপি টাঙিয়ে এই নির্দেশিকা প্রকাশ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে। 

 

POST A COMMENT
Advertisement