Kolkata Metro: চিংড়িঘাটার জটে আটকে অরেঞ্জ লাইন, অনুমতি পেলে বছর শেষেই বেলেঘাটা-সেক্টর ৫ মেট্রো চালু

চিংড়িঘাটা ছাড়াও অরেঞ্জ লাইনের আরও কয়েকটি অংশে কাজ বাকি রয়েছে। টেকনোপোলিস (নবদিগন্ত), নজরুল তীর্থ এবং চিনার পার্ক সংলগ্ন এলাকাতেও ভায়াডাক্টের কিছু অংশ অসম্পূর্ণ। তবে এই জায়গাগুলিতে কাজ আংশিকভাবে এগোচ্ছে, পুরোপুরি অচলাবস্থা শুধু চিংড়িঘাটাতেই।

Advertisement
চিংড়িঘাটার জটে আটকে অরেঞ্জ লাইন, অনুমতি পেলে বছর শেষেই বেলেঘাটা-সেক্টর ৫ মেট্রো চালুফাইল ছবি
হাইলাইটস
  • কলকাতা মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনের সম্প্রসারণ নিয়ে আশার খবর মিললেও, চিংড়িঘাটার জটই এখনও সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
  • রেল সূত্রের খবর, যদি এমাসের মধ্যেই পুলিশের তরফে কংক্রিটের স্ল্যাব বসানোর অনুমতি মেলে, তবে চলতি বছরের শেষ নাগাদই মেট্রো পরিষেবা সেক্টর ৫ পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারে।

কলকাতা মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনের সম্প্রসারণ নিয়ে আশার খবর মিললেও, চিংড়িঘাটার জটই এখনও সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। রেল সূত্রের খবর, যদি এমাসের মধ্যেই পুলিশের তরফে কংক্রিটের স্ল্যাব বসানোর অনুমতি মেলে, তবে চলতি বছরের শেষ নাগাদই মেট্রো পরিষেবা সেক্টর ৫ পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারে।

মেট্রো রেলের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, চিংড়িঘাটার ৩৬৬ মিটার দীর্ঘ ফাঁকা অংশটি পূরণ করা গেলে, বেলেঘাটা থেকে সেক্টর ৫ পর্যন্ত পরিষেবা চালুর জন্য আরও সাত থেকে আট মাস সময় লাগতে পারে। এখন নিউ গড়িয়া (কবি সুভাষ) থেকে বেলেঘাটা পর্যন্ত পরিষেবা চালু রয়েছে, এবং পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ ধাপই হল সেক্টর ৫-এ সংযোগ স্থাপন।

এই প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা রেল বিকাশ নিগম লিমিটেডের এক আধিকারিক জানান, বাকি অংশে নির্মাণকাজ দ্রুতগতিতে এগোলেও চিংড়িঘাটায় কাজ প্রায় এক বছরের বেশি সময় ধরে থমকে আছে। মূল সমস্যা হল, এখানে স্ল্যাব বসাতে হলে টানা দু’টি উইকেন্ডে ট্রাফিক ব্লক দরকার, যার জন্য পুলিশের অনুমোদন এখনও মেলেনি।

এই বিলম্ব নিয়ে ইতিমধ্যেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালত রাজ্য সরকারের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করে জানিয়েছে, এটি সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে গাফিলতির সামিল। যদিও রাজ্য সরকার দাবি করেছিল, নির্বাচনের সময় এই কাজ এগোলে আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘিত হতে পারে এবং যানজটের সমস্যা বাড়তে পারে, আদালত সেই যুক্তি খারিজ করে দিয়েছে।

চিংড়িঘাটা ছাড়াও অরেঞ্জ লাইনের আরও কয়েকটি অংশে কাজ বাকি রয়েছে। টেকনোপোলিস (নবদিগন্ত), নজরুল তীর্থ এবং চিনার পার্ক সংলগ্ন এলাকাতেও ভায়াডাক্টের কিছু অংশ অসম্পূর্ণ। তবে এই জায়গাগুলিতে কাজ আংশিকভাবে এগোচ্ছে, পুরোপুরি অচলাবস্থা কেবল চিংড়িঘাটাতেই।

সব মিলিয়ে, একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো প্রকল্পের ভবিষ্যৎ এখন অনেকটাই নির্ভর করছে চিংড়িঘাটার অনুমোদনের ওপর। সেই জট কাটলেই শহরের আইটি হাব সেক্টর ৫-র সঙ্গে মেট্রো সংযোগ আরও সহজ ও দ্রুত হয়ে উঠবে বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্ট মহল।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement