মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বাবুল সুপ্রিয় ও নরেন্দ্র মোদী BJP-তে থাকার সময় গান গাওয়ার ব্যাপারে তাঁকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছিল। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে উৎসাহ দেন। মন্তব্য করলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বর্তমানে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। ‘Inteha Ho Gayi Intezaar Ki’-র প্রচারে বাবুল সুপ্রিয়র এই দাবি ঘিরে শোরগোল শুরু হয়েছে।
২০১৪ সালে BJP-র হাত ধরে রাজনীতিতে যোগ দিয়েছিলেন বাবুল। হয়েছিলেন সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তবে ২০২১ সালে তিনি তৃণমূলে যোগ দেন। এখন তিনি রাজ্যের শাসকদলের টিকিটেই রাজ্যসভার সাংসদ হয়েছেন। বাবুল সম্প্রতি দাবি করেন, BJP-তে যোগ দেওয়ার সময় তিনি ভাবেননি, রাজনীতি করার জন্য তাঁর গানের উপর বিধিনিষেধ আসবে। তাঁর কথায়,'আমি মনে করেছিলেন রাজনীতি ও সঙ্গীত- দুটোই পাশাপাশি চালিয়ে যেতে পারব।'
বাবুল জানান, অটলবিহারী বাজপায়ী ও সুনীল দত্তদের মতো ব্যক্তিত্বদের দেখে তিনি রাজনীতিতে এসেছিলেন। তিনি মনে করতেন, শিল্প ও জনসেবার মধ্যে কোনও দ্বন্দ্ব নেই। তবে মন্ত্রী হওয়ার পর পরিস্থিতি বদলে যায়। .
বাবুল প্রধানমন্ত্রীর প্রসঙ্গ তুলে দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী যেহেতু বস, তাই তিনি যদি মনে করেন কোনও মন্ত্রী মঞ্চে গান করলে বা বিদেশে পারফর্ম করলে সরকারের ভাবমূর্তিতে প্রভাব পড়তে পারে, তাহলে সেই সিদ্ধান্ত মানতেই হয়। আৎ সেই কারণেই তিনি গান থেকে দূরে সরে যান। যদিও এতে তাঁর সঙ্গীতের প্রতি টান কমেনিস বরং বেড়ে যায়।
তবে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর পরিস্থিতির পরিবর্তন হয় বলে দাবি করেন বাবুল। কারণ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও উৎসাহ দেন। বিজেপি ছাড়ার পিছনে তাঁর কাজের যথাযথ মূল্যায়ন না হয়েছিল না বলেও তিনি জানান।
বর্তমানে রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে কাজ করলেও তিনি জানিয়েছেন, রাজনৈতিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি আবার পুরোপুরি সঙ্গীতে মন দিতে চান।