Rabindranath Tagore Car: আগাছায় ভরা গ্যারাজে পড়েছিল রবীন্দ্রনাথের গাড়ি, সংস্কারের পর এবার মিলবে দেখার সুযোগ

জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঐতিহাসিক গ্যারাজ এবং তাঁর ব্যবহৃত ভিন্টেজ গাড়ির সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারের কাজ সম্পূর্ণ হল। এবার জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হল সেগুলি।

Advertisement
আগাছায় ভরা গ্যারাজে পড়েছিল রবীন্দ্রনাথের গাড়ি, সংস্কারের পর এবার মিলবে দেখার সুযোগরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গাড়ি
হাইলাইটস
  • রবীন্দ্রনাথের গ্যারাজ এবং ভিন্টেজ গাড়ির সংরক্ষণ
  • আগাছা ও গাছপালায় ভরা গ্যারাজে পড়া ছিল
  • এবার জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হল সেগুলি

কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঐতিহাসিক গ্যারাজ এবং তাঁর ব্যবহৃত ভিন্টেজ গাড়ির সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। ৭ মাস ধরে চলা সংরক্ষণ প্রকল্পের পর বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই পুনর্নির্মিত গ্যারাজ ও ভিন্টেজ গাড়ির উদ্বোধন করা হয়। একই সঙ্গে তা সাধারণ মানুষের জন্যও খুলে দেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পের উদ্যোক্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরেই গ্যারাজ এবং ভিন্টেজ গাড়িটি অত্যন্ত জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে ছিল। গ্যারাজের ছাদ, দেওয়াল ও মেঝের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। পাশাপাশি, গোটা জায়গাজুড়ে আগাছা ও গাছপালা জন্মে গিয়েছিল। অন্যদিকে, ভিন্টেজ গাড়িটিতেও দীর্ঘদিনের অবহেলার স্পষ্ট চিহ্ন দেখা যাচ্ছিল।

সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় গ্যারাজের প্রয়োজনীয় কাঠামোগত মেরামতির কাজ করা হয়েছে। পাশাপাশি, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং সংরক্ষণের কাজও করা হয়েছে। তবে এই পুরো প্রক্রিয়ায় গ্যারাজটির ঐতিহাসিক বৈশিষ্ট্য অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে ভিন্টেজ গাড়িটিকেও পেশাদার উপায়ে পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ করা হয়েছে।

প্রকল্পের উদ্যোক্তাদের প্রকাশিত বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, নতুনভাবে সাজানো এই ঐতিহ্যবাহী পরিসরে আধুনিক আলোকসজ্জা, নতুন সজ্জা এবং বিশেষভাবে তৈরি একটি ওয়াল পেন্টিংও যুক্ত করা হয়েছে।

উত্তর কলকাতার জোড়াসাঁকো এলাকায় অবস্থিত এই ঐতিহ্যবাহী ঠাকুরবাড়ির সংরক্ষিত অংশটির নাম রাখা হয়েছে ‘রবীন্দ্র স্মৃতিরথ’।

জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পৈতৃক বাসভবন। এখানেই তাঁর জন্ম ও বেড়ে ওঠা। জীবনের একটি বড় অংশ তিনি এই বাড়িতেই কাটিয়েছেন এবং এখানেই তাঁর জীবনাবসান হয়।

এই সংরক্ষণ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের সহযোগিতায়। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ করাই ছিল এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

 

POST A COMMENT
Advertisement