Aniket Mahato : জুনিয়র ডক্টর্স ফ্রন্টের সভাপতির পদ ছাড়লেন অনিকেত, জানালেন কারণও

আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর রাজ্যজুড়ে সংগঠিত হওয়া আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিল জুনিয়র ডক্টর্স ফ্রন্ট। সেই সংগঠনের অন্যতম মুখ ছিলেন চিকিৎসক অনিকেত মাহাত।

Advertisement
জুনিয়র ডক্টর্স ফ্রন্টের সভাপতির পদ ছাড়লেন অনিকেত, জানালেন কারণও সভাপতির পদ ছাড়লেন অনিকেত
হাইলাইটস
  • সংগঠনের অন্যতম মুখ ছিলেন চিকিৎসক অনিকেত মাহাত
  • সেই তিনিই  সংগঠনের সভাপতির পদ ছাড়লেন

আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর রাজ্যজুড়ে সংগঠিত হওয়া আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিল জুনিয়র ডক্টর্স ফ্রন্ট। সেই সংগঠনের অন্যতম মুখ ছিলেন চিকিৎসক অনিকেত মাহাত। সেই তিনিই  সংগঠনের সভাপতির পদ ছাড়লেন। নতুন বছরের প্রথম দিনই নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পেজে এই খবর জানিয়েছেন চিকিৎসক নিজেই। কেন এমন সিদ্ধান্ত নিলেন, তার ব্যাখ্যাও করেছেন।

নিজের এই সিদ্ধান্তকে 'বেদনাদায়ক' উল্লেখ করেও যে পদে থাকতে চান না তা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন অনিকেত। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, ট্রাস্ট এবং এগজিকিউটিভ কমিটির দ্বন্দ্বের কারণে পদত্যাগ করলেন অনিকেত। তিনি লিখেছেন, 'ট্রাস্ট এবং এগজিকিউটিভ কমিটি সুনির্দিষ্ট সম্পর্ক ঠিক না করে, আইনি পরামর্শ উপেক্ষা করে, যেভাবে এই কমিটি তৈরি হচ্ছে, আমি মনে করি সেটা সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক এবং এর সাথে অভয়ার ন্যায় বিচারের দাবিতে আন্দোলনও সঙ্গতীপূর্ণ নয়। আমি এই বিষয়ে আমার আপত্তির কথা বারবার জানিয়েছি। আইনি পরামর্শ নেওয়ার কথা জানিয়েছি। তাতে আপনারা কর্ণপাত করেননি।' 

তবে তিনি যে অভয়া আন্দোলন থেকে সরে যাবেন না, সেকথাও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। ইস্তফার চিঠিতেও তিনি অভিযোগ করেছেন, রাজ্য সরকার তাঁর উপর প্রতিহিংসামূলক আচরণ করছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেও তাঁকে সেজন্য পোস্টিং দেওয়া হয়নি। চিঠি থেকে পরিষ্কার, আরজি কর আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বলেই রাজ্য সরকার এসব করছে বলে মনে করেন অনিকেত। 

তবে ওই চিকিৎসকের দাবি, রাজ্য সরকার তাঁর সঙ্গে এমন আচরণ করলেও তিনি মাথানত করবেন না। বিগত দিনে আরজি কর ইস্যুতে যেভাবে লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন, সেভাবেই কাজ করে যাবেন।  

২০২৪ সালের অগাস্টে আর জি কর হাসপাতালের সেমিনার রুমে নৃশংসভাবে ধর্ষণের পর খুন করা হয় মহিলা চিকিৎসককে। তাঁর ন্যায়বিচারের দাবিতে কঠোর আন্দোলন শুরু করেন সহপাঠীরা। সিবিআই তদন্তভার নিয়ে খুব কম সময়ের মধ্যেই মামলার কিনারা করে ফেলে। তারপরও আন্দোলন চালিয়ে যায় জুনিয়র ডাক্তাররা। 

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement