বিধানসভায় বসেই কেঁদে ফেললেন RG Kar-এর নির্যাতিতার মাআরজি কর ধর্ষণ মামলায় দোষীদের শাস্তি হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিজেপি। এখনও সেই মামলায় বড় কোনও আপডেট না এলেও পদক্ষেপ নিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। আরজি কর নির্যাতিতার মা রত্না দেবী নিজেও একজন বিধায়িকা। ফলে দোষীদের শাস্তি হবে, এই আশা করছে রাজ্যবাসী। মঙ্গলবার বিধানসভায় ফের একবার দোষীদের শাস্তি হবে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নতুন CM-এর মুখে এই কথা শুনে বিধানসভায় বসেই ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদে ফেলেন রত্না দেবনাথ।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট ভাষায় বলেন, "বাংলায় মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধের ক্ষেত্রে সরকার 'জিরো টলারেন্স' নীতি নিয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, "আর জি কর মামলায় ন্যায়বিচার হবে। বাংলার মানুষ ভোট দিয়েছেন যাতে অভয়া ন্যায়বিচার পায়।" তিনি বলেন, "ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে তিনজন আইপিএস আধিকারিককে বরখাস্ত করা হয়েছে। সন্দীপ ঘোষকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। যারা এই ঘটনায় জড়িত, তাঁদের সবার বিরুদ্ধে অ্যাকশন নেওয়া হবে।"
ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, মেয়ের ন্যায়বিচারের কথা শুনে নির্যাতিতার মা রত্না দেবনাথ বিধানসভার সিটে বসেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। অপর এক মহিলা বিধায়ক পানিহাটির বিধায়িকাকে সান্ত্বনাও দেন। পরে রত্না দেবী সংবাদ সংস্থাকে বলেন, "আমি আশা করি আমার মেয়ে ন্যায়বিচার পাবে। আমি এখানে ক্ষমতার জন্য আসিনি, আমার মেয়ের জন্য ন্যায়বিচার চেয়েছি।"
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতালের মধ্যেই ধর্ষণ ও খুন হন ৩১ বছর বয়সী এক ট্রেনি চিকিৎসক। সেই সময় ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। শহর কলকাতা তো বটেই, এমনকি রাজ্যের গণ্ডি পেরিয়ে সারা দেশে বিচারের দাবিতে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনায় সঞ্জয় রাই নামে এক ব্যক্তি দোষী প্রমাণিত হন, তাকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের সাজা শোনায় আদালত। তবে মামলায় সামনে এসেছে 'সরকারি ষড়যন্ত্রের' অভিযোগ। তবে CBI ফের নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে।