ঋজুর মন্তব্যকে গুরুত্ব দিতে নারাজ শমীক, বললেন, 'TMC-র গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে কোনও আগ্রহ নেই BJP-র'

তৃণমূলের বিরুদ্ধে একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন সাসপেন্ড হওয়া নেতা ঋজু দত্ত। তবে তাঁকে গুরুত্ব দিতে নারাজ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

Advertisement
ঋজুর মন্তব্যকে গুরুত্ব দিতে নারাজ শমীক, বললেন, 'TMC-র গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে কোনও আগ্রহ নেই BJP-র' শমীক ভট্টাচার্য ও ঋজু দত্ত
হাইলাইটস
  • তৃণমূলের বিরুদ্ধে একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন সাসপেন্ড হওয়া নেতা ঋজু দত্ত
  • তবে তাঁকে গুরুত্ব দিতে নারাজ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য

তৃণমূলের বিরুদ্ধে একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন সাসপেন্ড হওয়া নেতা ঋজু দত্ত। তবে তাঁকে গুরুত্ব দিতে নারাজ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। বরং তাঁর দাবি, তিনি তৃণমূল কংগ্রেসকে আর কোনও রাজনৈতিক দল বলেই মনে করেন না। তাঁর কথায়, 'তৃণমূলের লাইফ সাইকেল শেষ হয়ে গিয়েছে।' 

শমীক ভট্টাচার্য বলেন, 'এটা তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। অন্যের রান্নাঘরে কী রান্না হচ্ছে, বিজেপি সেটা শুঁকে দেখার চেষ্টা করে না। আমরা প্রথম দিন থেকেই বলে এসেছি, তৃণমূলকে রাজনৈতিক দল হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।'

তিনি আরও বলেন, 'তৃণমূলের দর্শন বরাবরই একটাই ছিল জো জিতা ওহি সিকন্দর। যে কোনওভাবে বুথে লিড নিতে হবে। বাংলাকে ওরা একটা খোলা বাজারে পরিণত করেছিল। আর সেই কারণেই তৃণমূল হেরেছে। দলের জীবনচক্র শেষ হয়ে গিয়েছে।'

এখানেই থামেননি বিজেপি রাজ্য সভাপতি। গত সাত বছর ধরে তৃণমূলের সংগঠন কে সামলেছে, সেই প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, 'গত সাত বছর ধরে তৃণমূলের সংগঠন কে চালিয়েছে? পুলিশ। দলের সংগঠন আসলে পুলিশই সামলেছে।'

এদিকে মহিলাদের আর্থিক সহায়তা প্রসঙ্গেও তৃণমূলকে নিশানা করেন শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, 'একটা বিষয় বারবার শিরোনামে এসেছে, প্রত্যেক নেতার বক্তব্যেই বলা হয়েছে যে মহিলারা তৃণমূলের ভোটার কারণ তাঁরা ১৫০০ টাকা করে পেয়েছেন। এটা কি মহিলাদের অপমান নয়?'তিনি প্রশ্ন তোলেন, '১৫০০ টাকার বিনিময়ে কি কারও রাজনৈতিক বোধ ও রাজনৈতিক সচেতনতা কেনা যায়? আজ বিজেপি তাঁদের ৩০০০ টাকা দিচ্ছে। তাহলে কি তার মানে সব মহিলাই এবার বিজেপির দিকে চলে যাবেন?'

শমীকের কথায়, 'মানুষকে টাকা দিয়ে কিনে নেওয়ার মানসিকতা নিয়ে কি সরকার চালানো যায়? এটাই দুর্নীতি, আর দুর্নীতিই তৃণমূলের সমার্থক।'

POST A COMMENT
Advertisement