Sikha Mitra : TMC-এ ফের জ্বলল 'শিখা', মমতার প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন

শিখা (Sikha Mitra) বলেন, আমি তো তৃণমূলে নতুন করে জয়েন করার কিছু নেই। আমি ছাড়িনি। বিরোধিতা হয়েছিল। অনেক সময় কাজ করতে গিয়ে বিরোধাতা হয়।

Advertisement
Sikha Mitra : TMC-এ ফের জ্বলল 'শিখা', মমতার তুমুল প্রশংসামালা রায়, শিখা মিত্র এবং শুভ্রা ঘোষ (বাঁদিক থেকে)। ছবি: রাহুল মণ্ডল
হাইলাইটস
  • তৃণমূলে ফিরে এলেন শিখা মিত্র
  • রবিবার তৃণমূল ভবনে তাঁর হাতে দলের পতাকা তুলে দেন মালা রায়, নয়না বন্দ্যোপাধ্য়ায়
  • শিখা বলেন, আমি তৃণমূল ছেড়ে যাইনি

তৃণমূলে ফিরে এলেন শিখা মিত্র (Sikha Mitra)। রবিবার তৃণমূল ভবনে তাঁর হাতে দলের পতাকা তুলে দেন সাংসদ মালা রায়, বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্য়ায়। এদিন শিখা মিত্র (Sikha Mitra) বিজেপির তুমুল সমালোচনা করেন।

মমতা ফোন করে খোঁজ
শিখা বলেন, আমার তো তৃণমূলে নতুন করে জয়েন করার কিছু নেই। আমি ছাড়িনি। আমার সঙ্গে একটা বিরোধিতা হয়েছিল। অনেক সময় কাজ করলে বিরোধিতা হতে পারে। রাজনীতিতে আসিনি। বাড়িতেই ছিলাম। অন্যান্য কাজ করছিলাম।

আমাকে স্বামীর সম্পর্কে খোঁজ করেছিলাম। বলেছিলেন,বৌদি তুমি এসো। আমি সঙ্গে সঙ্গে, আমার ইচ্ছাও ছিল। এটা তো অস্বীকার করার জায়গা নেই, সারাক্ষণ জীবন দিয়ে মানুষের সেবা করে যাচ্ছে। একটা প্ল্যাটফর্ম পেল কাজ করা যায়। তৃণমূল আজ যে জায়গায় এসেছে, তার জন্য তো একজন মহিলা। এটা তো অস্বীকার করার কোনও উপায় নেই।

মমতা ফোন করে খোঁজ নেন। বলেন, বউদি তুমি এসো। আমার খুব ভাল লাগবে। রাজনীতির জায়গাটা হল জনসেবা করা। যেটা আমরা ঘর থেকে দেখে এসেছি। আমি খুব আনন্দ পেয়ছিলাম। শ্রদ্ধা করে,সম্মান করে, ভালবাসে।

কোথায় হারানো হচ্ছে বলছে, কোনও কারণ হতে পারে। কাজকর্ম করে এই জায়গায় এসেছেন। আমার। হেরে গেলেন বিশ্বাস। ভারতের । মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তিনি প্রধানমন্ত্রী পদে দেখতে চান।

কংগ্রেসে যোগ দিইনি
আমি কোনও দিন কংগ্রেসে জয়েন করিনি। আমার স্বামী প্রেসিডেন্ট। বিধান ট্রাস্টির সদস্য আমি একজন চেয়ারপার্সন। ওটা তৈরি করেছিলেন আমার স্বামী। ভাড়া পর্যন্ত দেয়নি। ওঠটা তৈরি করেছিলেন আমার স্বামী। ওটার প্রতি আলাদা দুর্বলতা রয়েছে। 

কংগ্রেস নিয়ে
গণতন্ত্রে ভবিষ্যৎ কী হবে মানুষ বলবে। মানুষের জন্য কাজ করলে, আসবে। কাজ না করলে আসবে। মানুষের লজন্য কাজ করতে হবে। তিনি মানুষের জন্য কাজদ করেন। তাই তিনি এই জায়গায় এসেছেন।

বিজেপিকে তোপ
তাঁকে বিজেপি নিজেদের দলের প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল। চৌরঙ্গি থেকে দাঁড়ানোর কথা বলা হয়েছিল। তিনি বলেন, বিজেপিতে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না। সাম্প্রদায়িক দল। আগামী দিন এই দল থাকলে ভবিষ্যৎ অন্ধকার। 

Advertisement

মালা রায়ের বক্তব্য
মালা রায় জানান, শিখা দলের বিধায়ক ছিলেন। শিখা মিত্রকে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছিল। শুভ্রা ঘোষও যোগ দিলেন তৃণমূলে। তিনি এআইসিসি সদস্য, ২০০৬ সাল থেকে তিনি। তিনি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের আত্মীয়।

তিনি আরও জানান, উত্তর কলকাতা কংগ্রেসের নেতা অমিত ঘোষও যোগ দেন। তারা চেয়েছেন তৃণমূলকে শক্তিশালী করতে। মমতা মানুষের কাজ করেন। তার পাশে থাকার জন্য তারা তৃণমূলে যোগ দিলেন। মালা রায় জানান, বঙ্গজননীর দায়িত্বে থাকবেন মালা রায়।

নয়না বলেন, শিখাকে স্বাগত। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার মানুষের জন্য যে প্রাণপাত করছেন, শিখা দিকে পেলে আরও ভাল করে কাজ করা যাবে।

 

POST A COMMENT
Advertisement