Presidency Jail: প্রেসিডেন্সি জেলে কুখ্যাত আফতাব আনসারির সেলে মোবাইল, Wi-Fi, বিপুল নগদ টাকা! পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগ?

প্রেসিডেন্সি জেলে বন্দি আফতাব আনসারির সেল থেকে উদ্ধার হল মোবাইল, পেন ড্রাইভ সহ একাধিক সামগ্রী। মিলল ৩১ হাজার নগদ। একজন যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কুখ্যাত জঙ্গির সেলে এগুলি কীভাবে এল তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। পাকিস্তানের সঙ্গে কোনও ভাবে যোগাযোগ করত এই জঙ্গি?

Advertisement
প্রেসিডেন্সি জেলে কুখ্যাত আফতাব আনসারির সেলে মোবাইল, Wi-Fi, বিপুল নগদ টাকা! পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগ? প্রেসিডেন্সি জেলে আফতাব আনসারির সেলে মোবাইল-টাকা
হাইলাইটস
  • প্রেসিডেন্সি জেলে আফতাব আনসারির সেল থেকে উদ্ধার মোবাইল
  • কুখ্যাত জঙ্গির কাছে কীভাবে এল এত জিনিস?
  • পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত এই যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বন্দি?

প্রেসিডেন্সি জেলে বন্দি আফতাব আনসারির সেল থেকে উদ্ধার হল মোবাইল। শুধু তাই নয়, তল্লাশি চালিয়ে পাওয়া গিয়েছে, Wi-Fi ডিভাইস, পেন ড্রাইভ এবং ৩১ হাজার টাকা নগদ। উল্লেখ্য, এই সেই কুখ্যাত জঙ্গি যে কলকাতার আমেরিকান সেন্টারে হামলার অন্যতম চক্রী ছিল। বর্তমানে যাবজ্জীবন সাজা খাটছে প্রেসিডেন্সি জেলে। কিন্তু তার সেল থেকে এই সামগ্রীগুলি উদ্ধার হওয়া কপালে ভাঁজ ফেলেছে কর্তৃপক্ষের। ইতিমধ্যেই হেস্টিংস থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্ত। 

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আফতাব আনসারি মোবাইল ফোনে সেলের ভিতর থেকে কথা বলছে বলে আগেই গোয়েন্দা তথ্য ছিল। সেই মতো তল্লাশি চালানো হয় প্রেসিডেন্সি জেলের ১৪ নম্বর সেলে। এই কুখ‌্যাত অপরাধী কাদের সঙ্গে হোয়াটস অ‌্যাপ ও টেলিগ্রাম কলে যোগাযোগ রাখত, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। সে কোনও ভাবে পাকিস্তানে যোগাযোগ করত কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। 

আফতাব আনসারির জামাকাপড়, বিছানাপত্র ঘেঁটেই ৩টি মোবাইল উদ্ধার হয়েছে। এছাড়াও ২টি Wi-Fi রাউটার, ২টি কার্ড রিডার, একটি পেন ড্রাইভ, ইয়ারফোন পাওয়া গিয়েছে। সঙ্গে ৫০০ টাকার নোটে নগদ ৩১ হাজার টাকা মিলেছে ওই জেলের সেলেই। কীভাবে এই টাকা এবং মোবাইল সহ নানা সামগ্রী তার হাতে এল তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। এর পিছনে সংশোধানাগেরর কোনও কর্মীর মদত রয়েছে কি না, তা-ও সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পরই গত ১৫ মে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে ‘ঘুঘুর বাসা’ ভাঙতে তৎপর হন শুভেন্দু অধিকারী। জেলবন্দিদের হাতে মোবাইল থাকার পিছনে পূর্বের সরকারের মদত ছিল বলেও দাবি করেছিলেন তিনি। প্রেসিডেন্সির সুপার এবং চিফ কন্ট্রোলারকে সাসপেন্ড করা হয়। CID তদন্তেরও নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার খোদ আফতাব আনসারির মতো কুখ্যাত বন্দির জেলে এই সামগ্রী উদ্ধার তদন্তকে কোন দিকে নিয়ে যায়, সেটাই দেখার। 

 

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement