Suvendu Adhikari: বাংলায় দু'টি ক্ষেত্রে বিনিয়োগ টানতে আগ্রহী নির্মলা, অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে মিটিংয়ে কী কথা? জানালেন শুভেন্দু

বাংলার ২টি বিষয়ে প্রবল আগ্রহ নির্মলা সীতারামনের। নিজের ইচ্ছের কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে জানিওছেন। বস্ত্রশিল্প মেলার উদ্বোধনে এসে সবটা খোলসা করলেন শুভেন্দু। কোন কোন বিষয় নিয়ে কাজ করতে চান অর্থমন্ত্রী?

Advertisement
 বাংলায় দু'টি ক্ষেত্রে বিনিয়োগ টানতে আগ্রহী নির্মলা, অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে মিটিংয়ে কী কথা? জানালেন শুভেন্দুশুভেন্দু অধিকারী
হাইলাইটস
  • বাংলার ২টি বিষয়ে প্রবল আগ্রহ নির্মলার
  • ইচ্ছের কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে জানিওছেন
  • সবটা খোলসা করলেন শুভেন্দু

মিলন মেলা প্রাঙ্গনে বসেছে বস্ত্রশিল্প মেলা। বৃহস্পতিবার সেই মেলার উদ্বোধন করতে এসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দেশের অর্থমন্ত্রীর দুই মনবাঞ্ছনার কথা শোনালেন। বাংলা কোন শিল্পের ভাবনা রয়েছে নির্মলা সীতারামনের?

সম্প্রতি দিল্লিতে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তাঁদের মধ্যে কী কথা হয়েছে, সেটাই এদিন বস্ত্রশিল্প মেলায় গিয়ে সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, 'নির্মলাজি আমায় ২টো ইচ্ছের কথা জানিয়েছেন। বাংলায় ২টি সেক্টরে কাজ করার ইচ্ছেপ্রকাশ করেছেন তিনি। প্রথমত, উনি বলেছেন, চা-শ্রমিকদের জন্য কিছু করতে চান। আর দ্বিতীয়ত জানিয়েছেন টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তুলতে চান এখানে।'

শুভেন্দু আরও জানান, বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রচারকালে নির্মলা সীতারামন বর্ধমানের পূর্বস্থলী এবং নদিয়ার শান্তিপুরে গিয়ে তিনি বাংলার উন্নতমানের তাঁতবস্ত্র দেখে অভিভূত হয়েছেন। তাই সেই তাঁতবস্ত্র নিয়ে কিছু করতে আগ্রহী অর্থমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, আগামী ২২ থেকে ২৮ অগাস্টের মধ্যে কলকাতায় আসবেন নির্মলা। সে সময়ে বস্ত্রশিল্পের সঙ্গে জড়িত ৮-১০ জনের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের বন্দোবস্ত করা হবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। 

অন্যদিকে, এদিন মিলন মেলা প্রাঙ্গন থেকে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, '৫০০ কোটি থেকে ১০০০ কোটির ব্যবসায়িক লেনদেন হবে এই বস্ত্রশিল্প মেলায়। ব্যবসায় শক্তিশালী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কাঁচামাল আসছে সুরাত থেকে। তাঁদেরও ফায়দা হবে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সুরাতের নাম শুনতেই তাঁদের বহিরাগত বলতেন। ভারতের মানুষের ফায়দা হলে তো গর্ব করা উচিত আমাদের। এই কারণেই তো পশ্চিমবঙ্গকে পাকিস্তান হওয়া থেকে বাঁচিয়েছিলেন ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। বস্ত্র শিল্পে প্রয়োজনীয় সহায়তা করবে রাজ্য সরকার। প্রয়োজনে আইন বদলাতে সেটাও বিধানসভায় বদলাব।'

 

POST A COMMENT
Advertisement