Suvendu Adhikari: 'ল্যান্ড জিহাদ, লভ জিহাদ করলেই...', বড় ঘোষণা করে দিলেন শুভেন্দু

'ল্যান্ড জিহাদ', 'লাভ জিহাদ'-এর কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর এবং কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনটাই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি CAA লাগু, UCC চালু এবং ধর্মান্তর বিরোধী কড়া আইন আনারও ইঙ্গিত দেন।

Advertisement
'ল্যান্ড জিহাদ, লভ জিহাদ করলেই...', বড় ঘোষণা করে দিলেন শুভেন্দুশুভেন্দু বলেন, 'ঋষি অরবিন্দ, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এবং নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর বাংলায় কোনও দেশবিরোধী কার্যকলাপ মেনে নেওয়া হবে না।
হাইলাইটস
  • 'ল্যান্ড জিহাদ', 'লাভ জিহাদ'-এর কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর এবং কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
  • এমনটাই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
  • CAA লাগু, UCC চালু এবং ধর্মান্তর বিরোধী কড়া আইন আনারও ইঙ্গিত দেন।

Suvendu Adhikari: 'ল্যান্ড জিহাদ', 'লাভ জিহাদ' বা অন্য জিহাদি কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর এবং কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনটাই বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার রবীন্দ্রসদনে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী ও বন্দে মাতরমের ১৫০ বছর পূর্তির অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সেখানেই এমনটা জানান। শুভেন্দু বলেন, সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে 'হোল্ডিং স্টেশন' তৈরি হচ্ছে। ভারতীয় সংস্কৃতি, সনাতন সংস্কৃতি এবং জাতীয়তাবাদের বিরুদ্ধাচারের অভিযোগে ধৃতদের সেখানে রাখা হচ্ছে। পরে তাঁদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।পশ্চিমবঙ্গে শীঘ্রই ইউনিফর্ম সিভিল কোড (UCC) চালু হবে বলেও জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ বরদাস্ত করা হবে না বলেও কড়া বার্তা দেন শুভেন্দু। বলেন, 'ঋষি অরবিন্দ, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এবং নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর বাংলায় কোনও দেশবিরোধী কার্যকলাপ মেনে নেওয়া হবে না। সেনাবাহিনীকে অপমান করা বা দেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার ঘটনায় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

শুভেন্দুর দাবি, পশ্চিমবঙ্গকে জাতীয়তাবাদী আদর্শে আরও শক্তিশালী করাই তাঁর সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। সেই কারণেই সীমান্ত নিরাপত্তায় জোর দেওয়া হচ্ছে। কাটাতাঁর বসানোর জন্য় বিএসএফের হাতে জমি তুলে দেওয়া হয়েছে। 

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) নিয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু বলেন, 'যাঁরা হিন্দু হয়ে এ দেশে এসেছেন, তাঁরা অনুপ্রবেশকারী নন, তাঁরা উদ্বাস্তু। তাঁদের নিরাপদ আশ্রয় দেওয়া হবে।'

শিক্ষাক্ষেত্রেও নতুন উদ্যোগের কথা জানান। বলেন, স্কুল, কলেজ এবং সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রার্থনার সময় 'সঞ্জীবনী' গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বলেন, 'অনেকেই এখনও দাঁড়ালেও মুখে গান করেন না। ধীরে ধীরে সেই পরিস্থিতিরও পরিবর্তন হবে।'

ভাষণের শেষ দিকে জরুরি অবস্থার প্রসঙ্গও তোলেন। জানান, জরুরি অবস্থার সময় যাঁরা কারাবন্দি হয়েছিলেন এবং নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন, তাঁদের রাজ্য সরকারের তরফে সম্মান জানানো হবে। আগামী ৯ অগাস্ট সেই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে বলেও ঘোষণা করেন।

Advertisement

এ ছাড়া 'লোকতন্ত্র সেনানি সমন্বয়' কমিটি গঠনের প্রস্তাবও গ্রহণ করেন শুভেন্দু। পাশাপাশি সামাজিক, সাংবিধানিক ও জাতীয় বিষয়ক সেমিনার, নাগরিক অধিকার বিষয়ক কর্মসূচি, বিশিষ্ট মনীষীদের জন্মজয়ন্তী উদ্‌যাপন, সংবিধান দিবস পালন এবং দুর্যোগের সময়ে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার মতো একাধিক প্রস্তাবেও সম্মতি জানান। 

POST A COMMENT
Advertisement