মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীপর্যাপ্ত বিধায়কের অনুপস্থিতির জেরে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মিটিং বাতিল করতে হয়েছে রবিবার। সেই ঘটনাকে তীব্র কটাক্ষ করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বললেন, 'এত আন্দোলন, মিটিং, মিছিল হচ্ছে, বিধায়করা পৌঁছতেই পারছেন না!'
সংখ্যাগরিষ্ঠতার অভাবে কালীঘাটের মিটিং বাতিল
তৃণমূল কংগ্রেসের পরবর্তী রাজনৈতিক কর্মসূচি ঠিক করার জন্য রবিবার কালীঘাটে জয়ী ৮০ জন বিধায়ককে মিটিংয়ে ডেকেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শেষে সাকুল্যে মেরেকেটে ১৭ থেকে ২০ জন বিধায়ক হাজির হন। বাকি কোনও বিধায়কই যাননি। ফলে লাটে ওঠে কালীঘাটের মিটিং। শেষ পর্যন্ত মিটিং বাতিল করতে হয় মমতাকে। মমতার বাড়িতে হাজির হওয়া বিধায়করা এক–এক করে বেরিয়ে গেলেন দলনেত্রীর কালীঘাটের বাড়ি থেকে। যদিও তৃণমূল নেতৃত্বের ব্যাখ্যা, শনিবার সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর আক্রমণের ঘটনায় বিধায়করা সকলে নিজের নিজের এলাকায় প্রতিবাদ কর্মসূচিতে ব্যস্ত। তাই, বৈঠক স্থগিত করা হয়েছে।
তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুর
কালীঘাটের ওই ভেস্তে যাওয়ার মিটিং নিয়ে কটাক্ষ করতে গিয়ে শুভেন্দু বললেন, 'প্রতিহিংসা আমরা নিতে চাই না। পার্টিটা উঠে গেছে। আমি কোনও দিন দেখিনি, প্রার্থী ভোটের আগের দিন বলছেন, আমি লড়ব না। কার্যত পার্টিটা উঠে গিয়েছে। এবং কালকেও টিভিতে দেখছিলেন ৮০ জনের ১৭ না ২০ জন মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন। তারপর বললেন, আজকের মতো বাতিল। এত আন্দোলন হচ্ছে, মিছিল মিটিং হচ্ছে, বিধায়করা পৌঁছতে পারছেন না! মিছিল কী হয়েছে গতকাল দেখেছি, আজও দেখব। আপনাদের কোনও লোক রাস্তায় নামবে না। যে কাণ্ডকারখানা আপনারা করেছেন, তাতে আর কোনও সুযোগ নেই পশ্চিমবঙ্গে আপনাদের। আপনাদের কোনও লোক রাস্তায় নামবে না। বর্তমান রাজ্য সরকার কোনও অ্যাজেন্ডার মধ্যেই নেই ওরা।'
যদিও বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষের সাফাই ছিল, ‘শনিবার অভিষেকের পরে রবিবার কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরেও হামলা হয়েছে। সার্বিক ভাবে এমন পরিস্থিতিতে বৈঠক পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার জন্যই রবিবারের বৈঠক বাতিল হয়।’