দুর্গাপুজো অনুদান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীপশ্চিমবঙ্গে BJP সরকারের আমলে প্রথমবার দুর্গাপুজো। গত সরকারের আমলে পুজো কমিটিগুলি সরকারি অনুদা পেত। প্রতিবছরই টাকার বাড়িয়ে দিতেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু চলতি বছরে সেই অনুদান ঘিরে এখনও ধোঁয়াশা। কিছু সরকারি সূত্রে শোনা যাচ্ছে, যে সব পুজোগুলির বাজেট কম, সেই পুজোগুলিকেই সরকারি অনুদান দেওয়া হবে। কিন্তু কীভাবে দেওয়া হবে, কত টাকা দেওয়া হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এহেন পরিস্থিতিতে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবে সরকার।
পুজো অনুদান নিয়ে কী জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী
দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে অনুদান দেওয়া বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানালেন, এই বিষয়ে এখনই কিছু বলা সম্ভব নয়। তাঁর কথায়, 'আগে থেকে কিছু বলা যায় না। সেদিনই সবাই জানতে পারবেন।' সেই দিন অর্থাত্ ৭ সেপ্টেম্বর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে শুধুমাত্র অনুদানই দেওয়া হত, বিদ্যুতের বিলেও ছাড় দেওয়া হত। দমকল-সহ বিভিন্ন সরকারি ফি সংক্রান্ত সুবিধা এবং উৎসবের সময় প্রশাসনিক সহযোগিতার মতো বিষয়গুলি নিয়ে নতুন সরকারের সিদ্ধান্ত কী হয়, তা জানার অপেক্ষায় রয়েছেন পুজো উদ্যোক্তারা।
যাঁদের সত্যিই টাকার দরকার, তাঁদের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন প্রতিবছর পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে মোটামুটি অগাস্টেই বৈঠক করতেন। সেই বৈঠকেই অনুদান ও নানা ছাড়ের ঘোষণা করে দিতেন। গতবার পুজো কমিটিগুলিকে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা দিয়েছিল বিগত সরকার। পালা বদলের পরে তৃণমূল কংগ্রেসের আমলের সরকারি প্রকল্পগুলির কোনও কিছুই বন্ধ হয়নি, কিছু স্কিমের নাম বদল হয়েছে। তবে যোগ্য ব্যক্তি, অর্থাত্ যাঁদের সত্যিই দরকার, তাঁদের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা করছে শুভেন্দু সরকার। পুজো কমিটিগুলিকে সরকারি অনুদানের বিষয়েও সেই ভাবেই ভাবনা চিন্তা করা হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। অর্থাত্ যেসব পুজো কমিটির অর্থের অভাব বা বাজেট কম, তাঁদের কাছে যাতে সরকারি অনুদা পৌঁছয়। যদিও এই গোটা বিষয়ে সরকারের তরফে এখনও কিছু জানা যায়নি।
পুজোর আগে রাস্তা মেরামতে বিশেষ জোর
পাশাপাশি পুজোর আগে পশ্চিমবঙ্গের রাস্তাঘাটগুলির মেরামতেও বিশেষ জোর দিচ্ছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। তিনি জানিয়েছেন, ১০ অক্টোবরের মধ্যে রাস্তার সমস্ত গর্ত মেরামত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পূর্ত দফতর, পঞ্চায়েত এবং পুরসভাগুলিকে।