CM Suvendu Adhikari: ১০০০ টাকার ওষুধ মিলবে ১০০ টাকায়! বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

হাজার টাকার ওষুধ এবার মিলবে মাত্র ১০০ টাকায়। সৌজন্যে রাজ্য সরকার। সত্যিই কি এমনটা সম্ভব? স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে নতুন সরকার কী কী করেছে, সেই খতিয়ান তুলে ধরে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী?

Advertisement
১০০০ টাকার ওষুধ মিলবে ১০০ টাকায়! বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর বিরাট সস্তা হবে ওষুধ
হাইলাইটস
  • হাজার টাকার ওষুধ এবার মিলবে মাত্র ১০০ টাকায়
  • স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে নতুন সরকার কী কী করেছে?
  • খতিয়ান তুলে ধরে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী?

হাজার টাকার ওষুধ এবার মিলবে মাত্র ১০০ টাকায়। সৌজন্যে রাজ্য সরকার। সত্যিই কি এমনটা সম্ভব? কী জানালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। 

কেন্দ্রের সহযোগিতায় শনিবার থেকে রাজ্যে শুরু হয়ে গেল বিনামূল্যে সারভাইক্যাল ক্যান্সারের প্রতিষেধক টিকাকরণ কর্মসূচি। বিধাননগর হাসপাতাল থেকে গোটা রাজ্যে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকেই স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে নতুন সরকার কী কী করেছে, সেই খতিয়ানও তুলে ধরেন। 

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'বহু প্রতীক্ষার পর কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের জুড়েছে বাংলা। শুধু অর্থনৈতিক ভাবে দুর্বল মানুষদের জন্য চিকিৎসা পরিষেবাই নিশ্চিত করা নয়, সস্তায় ওষুধ পাওয়ার ব্যবস্থাও করছে রাজ্য সরকার। শীঘ্র রাজ্যের ১ কোটি ৩৬ লক্ষ পরিবার ও ৬ কোটি মানুষকে আয়ুষ্মান ভারতের আওতায় আনা হবে।' এই মানুষরা গোটা ভারতেই নির্দিষ্ট হাসপাতালগুলিতে পাঁচ লক্ষ টাকার বিমা সুরক্ষা পাবেন বলে জানান তিনি। যে সমস্ত পরিযায়ী শ্রমিকেরা বাইরের রাজ্যে কাজ করেন, তারাও আয়ুষ্মান ভারত-এর সুবিধা পাবেন বলেও আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী।

একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের হাসপাতালগুলির নাম হবে আয়ুষ্মান মন্দির। এখানে সবাইকে চিকিৎসা করা হবে। কারও মাসে ওষুধ কিনতে ১০০০ টাকা খরচ হলে এখানে ১০০ টাকায় ওষুধ দেওয়া হবে।’ রাজ্যে ৪৬৭টি প্রধানমন্ত্রী জনঔষধী কেন্দ্র চালু হওয়ার কথাও ঘোষণা করেন তিনি। একইসঙ্গে শীঘ্র অমৃত প্রকল্পে ক্যান্সারের মতো দুরারোগ্য রোগের ওষুধও ৩০ শতাংশ ভর্তুকিতে পাওয়া যাবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। 

মুখ্যমন্ত্রী রোগী রেফার রুখতে নেওয়া পদক্ষেপগুলির মধ্যে রয়েছে রাজ্য সরকারের থেকে এক টাকায় জমি নিয়ে গড়ে ওঠা বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে নিয়েও বিশেষ সিদ্ধান্ত। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, এইসব বেসরকারি হাসপাতালগুলির ১৫ শতাংশ বেড সাধারণ মানুষ, অর্থনৈতিক ভাবে দুর্বল মানুষদের জন্য রাখতে হবে। 

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘স্বাস্থ্য ভবনে একটি কন্ট্রোল রুম তৈরি হচ্ছে। যেখানে জেলা হাসপাতালগুলির উপর লাইভ মনিটারিং করা হবে। হাসপাতালে দালাল চক্র আছে কি না। ডাক্তাররা আছেন কি না। রোগীরা বেডে আছে কি না। কুকুর-বেড়াল ঘুরে বেড়াচ্ছে কি না, সব নজরে রাখা হবে। এটা সরাসরি দেখতে পেশাদার কর্মীদের রাখা হবে।’ 

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement