Swarup Biswas Jui Biswas: 'গ্রেফতারির পরেই কেন ডিভোর্সের মামলা?' ব্যক্তিগত জীবনের 'কেচ্ছা'র বিবরণ দিলেন সেই স্বরূপ

নিজের মেয়েদের সঙ্গেই তাঁকে দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না। অভিযোগ তুলে দীর্ঘ পোস্ট করলেন স্বরূপ বিশ্বাস। স্ত্রী জুঁই বিশ্বাসের বিরুদ্ধেও তীব্র ক্ষোভ উগরে দিলেন। প্রশ্ন তুললেন, তাঁর গ্রেফতারির পরই কেন বিবাহবিচ্ছেদের মামলা হল। পাল্টা কী বক্তব্য জুঁইয়ের?

Advertisement
'গ্রেফতারির পরেই কেন ডিভোর্সের মামলা?' ব্যক্তিগত জীবনের 'কেচ্ছা'র বিবরণ দিলেন সেই স্বরূপজুঁই বিশ্বাস, স্বরূপ বিশ্বাস
হাইলাইটস
  • মেয়েদের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না
  • ক্ষোভ উগরে দীর্ঘ পোস্ট করলেন স্বরূপ বিশ্বাস
  • পাল্টা কী বক্তব্য জুঁইয়ের?

নিজের মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে দেখা হচ্ছে না তাঁকে। এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় দীর্ঘ পোস্ট করে স্ত্রী জুঁই বিশ্বাসের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিলেন স্বরূপ বিশ্বাস। সঙ্গে এ-ও জানালেন নিজের সম্মান রক্ষার লড়াই আইনি পথেই চালিয়ে যাবেন তিনি। অভিমানী স্বরূপের বক্তব্য, 'পুরুষেরও কষ্ট হয়, চোখে জল আসে।' স্বামীর পোস্ট সম্পর্কে কী বক্তব্য জুঁই বিশ্বাসের? 

সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ খুললেন স্বরূপ 
নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এতদিন প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি বলে দাবি স্বরূপ বিশ্বাসের। কিন্তু তাঁর নীরবতাকে দুর্বলতা হিসেবে দেখা হচ্ছে এবং তাঁর চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। দুই মেয়ের সঙ্গে স্বাভাবিক যোগাযোগ ও সাক্ষাতের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে তাঁকে বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে বলেও দাবি করেছেন স্বরূপ।

কী পোস্ট করেছিলেন জুঁই?
সম্প্রতি জুঁই বিশ্বাস একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বিচারাধীন বিবাহবিচ্ছেদ ও সন্তানদের হেফাজত সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা না করার আবেদন জানান। একইসঙ্গে কুণাল ঘোষের একটি রাজনৈতিক পোস্টে 'এক নেতার ভ্রাতৃবধূ' বলে উল্লেখ যে তাঁকেই উদ্দেশ্য করে করা হয়েছে বলে ফুঁসে উঠেছিলেন জুঁই। 

পাল্টা কী বক্তব্য স্বরূপের?
স্বরূপের বক্তব্য, 'আমাকে hooligan বলে চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হলে আমি তার প্রতিবাদ জানাব। আমি কেমন মানুষ, মানুষের পাশে কতটা দাঁড়িয়েছি, জনজীবনে আমার ভূমিকা কী, সেই বিচার মানুষ তাদের অভিজ্ঞতা ও তথ্যের ভিত্তিতে করবেন। নিজেকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য অন্য কাউকে ছোট করার প্রয়োজন আমার নেই। অন্যের বক্তব্যের বিরোধিতা করতে গিয়ে আমিও ব্যক্তিগত অপমান বা অসম্মানজনক ভাষার আশ্রয় নিতে চাই না।'

মেয়েদের সঙ্গে সম্পর্ক না রাখতে দেওয়ার অভিযোগ
স্বরূপ বিশ্বাস স্পষ্ট জানিয়েছেন, জুঁই মজুমদার বিশ্বাসের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের অধ্যায় শেষ, কিন্তু অধিকার ও দায়িত্বের নয়। তিনি বলেন, 'আমি চাই না, আমার মেয়েরা বড় হয়ে বাবা-মায়ের বিরোধের ভার নিজেদের কাঁধে বহন করুক। সন্তানদের সঙ্গে সুস্থ সম্পর্ক বজায় রাখার সুযোগ দেওয়া হোক এবং আদালতের নির্দেশ যথাযথভাবে কার্যকর করা হোক।
আমার নীরবতাকে দুর্বলতা ভাববেন না। একজন বাবা হিসেবে আমার সন্তানদের সঙ্গে দেখা করতে চাই।' তিনি জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও তিনি ক্যাফেতে দেড় ঘণ্টা অপেক্ষার পরও ছোট মেয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি তাঁকে না জানিয়েই বড় মেয়েকে রাজ্যের বাইরে পড়তে পাঠানো হয়েছে। 

Advertisement

স্বরূপের প্রশ্ন
৪ মে রাজ্যে পালাবদলের পর ২৮ মে জুঁই বিবাহবিচ্ছেদ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মিডিয়াতে বক্তব্য রাখেন। ৪ জুন তাঁর গ্রেফতারির পরই ১৭ জুন বিবাহবিচ্ছেদের মামলা দায়ের করেন জুঁই। স্বরূপের প্রশ্ন, 'দাম্পত্য সম্পর্ক যদি ২০১৯ সাল থেকেই কার্যত শেষ হয়ে থাকে এবং ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে পৃথক বসবাস চলতে থাকে, তাহলে বিবাহবিচ্ছেদের আইনি পদক্ষেপের সময় নিয়ে প্রশ্ন উঠবে না কেন? আমার গ্রেফতারির পরই কেন পদক্ষেপ নেওয়া হল? গ্রেফতারির নেপথ্যে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা রয়েছে।'

জুঁইয়ের বক্তব্য 
bangla.aajtak.in-এর পক্ষ থেকে জুঁই বিশ্বাসকে স্বরূপের পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, 'কোনও বিচারাধীন বিষয় নিয়ে আমি কোনও ইন্টারভিউ দেব না।'


 

 

POST A COMMENT
Advertisement