Taslima Nasrin: 'তসলিমা আল্লাহর শত্রু, প্রিয় নবীর শত্রু,' একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন সিদ্দিকুল্লাহ

Siddiqullah Chowdhury: তসলিমার কলকাতায় আসা নিয়ে বিস্ফোরক কথা বললেন সিদ্দিকুল্লাহ। বিজেপি-কে নিশানা করে সিদ্দিকুল্লার মন্তব্য, 'এরা মুসলমানদের ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছে। তসলিমা আল্লাহর শত্রু। আমাদের প্রিয় নবীর শত্রু।'

Advertisement
'তসলিমা আল্লাহর শত্রু, প্রিয় নবীর শত্রু,' একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন সিদ্দিকুল্লাহতসলিমা নাসরিন ও সিদ্দিকুল্লাহ চোধুরী
হাইলাইটস
  • তসলিমার কলকাতায় আসা নিয়ে বিস্ফোরক সিদ্দিকুল্লাহ
  • ২০০৭ সালে কলকাতা ছেড়েছিলেনতসলিমা
  • তসলিমা নিয়ে বিরক্ত নওশাদও

২০০৭ সালে তিনি কলকাতা ছেড়েছিলেন। তারপর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল গড়িয়েছে। বাম জমানার পতন হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস জমানার পতন হয়েছে। এখন পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার। এবং ২০২৬ সালে বিজেপি সরকারের আমলেই কলকাতায় ফিরছেন বিতর্কিত সাহিত্যিক তসলিমা নাসরিন। আগামী পয়লা অগাস্ট কলকাতায় রবীন্দ্র সদনে তসলিমা একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। তসলিমার কলকাতায় আসা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন জমিয়ত উলেমা এ হিন্দ-এর পশ্চিমবঙ্গের প্রধান সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী। 

তসলিমার কলকাতায় আসা নিয়ে বিস্ফোরক সিদ্দিকুল্লাহ

সংবাদ সংস্থা PTI-কে দেওয়া সাক্ষাত্‍কারে তসলিমার কলকাতায় আসা নিয়ে বিস্ফোরক কথা বললেন সিদ্দিকুল্লাহ। বিজেপি-কে নিশানা করে সিদ্দিকুল্লার মন্তব্য, 'এরা মুসলমানদের ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছে। তসলিমা আল্লাহর শত্রু। আমাদের প্রিয় নবীর শত্রু।' তসলিমার 'দ্বিখণ্ডিত' বইয়ের প্রসঙ্গ টেনে রাজ্যের প্রাক্তন গ্রন্থাগার মন্ত্রী বলেন, 'এরা মুসলমানদের ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছে। তসলিমা নাসরিন আল্লাহর শত্রু। আমাদের প্রিয় নবীর দুশমন। দ্বিখণ্ডিত বইতে ৪৯,৫০ ও ৫১ পৃষ্ঠায় সব লেখা আছে। এবার তাঁকে দ্বিতীয়বার ডেকে আনার অর্থ হল, আ বায়েল মুঝে মার। মুসলমানরা দুঃখে রয়েছেন। আমরা কী বলব! তসলিমা নাসরিনকে দিয়ে বাংলার উন্নয়ন হবে? রাস্তা, জল, কর্মসংস্থান হবে? বাংলার উন্নয়ন কি তসলিমা নাসরিন করবেন? এখানে আর কোনও সাহিত্যিক নেই? আপনাদের তসলিমা নাসরিনকেই খোঁজে আনতে হচ্ছে!' 

২০০৭ সালে কলকাতা ছেড়েছিলেনতসলিমা

প্রায় ২০ বছর পর কলকাতায় আসছেন তসলিমা। রবীন্দ্রসদনে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজকদের দাবি, সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকেও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। শুভেন্দু তাতে রাজি হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে। ২০০৭ সালে তসলিমার লেখা দ্বিখণ্ডিত উপন্যাস ঘিরেই উত্তাল হয়েছিল কলকাতা। বাম জমানায় সেই উত্তাল পরিস্থিতি সামাল দিতে সেনা নামাতে হয়েছিল। তখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। বাম সরকার তসলিমার বিতর্কিত ওই বইটিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। কলকাতাও ছাড়তে বলা হয় তসলিমাকে। এরপরে তৃণমূল সরকারের আমলেও কলকাতায় আসতে অনুমতি দেওয়া হয়নি তাঁকে। 

Advertisement

তসলিমা নিয়ে বিরক্ত নওশাদও

তসলিমার কলকাতা আসা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেনে আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিও। তিনি বলেন, 'ক্ষমতায় এলে বিনামূল্যে ২০০ ইউনিট বিদ্যুৎ দেবে বলেছিল। সবাইকে অন্নপূর্ণা ভান্ডার দেওয়ার কথা বলেছিল। ইস্তাহারে বলা কোনও কথা রাখতে পারেনি বিজেপি সরকার। মুসলমানদের টাইট করাটাই উন্নয়ন। তসলিমা নাসরিন মুসলমান-বিদ্বেষী হিসাবেই পরিচিত। বিজেপি সমর্থকদের মনে হবে মুসলমানদের টাইট করা হবে। এটাই উন্নয়ন।'

POST A COMMENT
Advertisement