টানা ৩০ ঘণ্টা জলভর্তি অ্যাকোয়ারিয়ামে ডুবে রইলেন, হাওড়ার চা বিক্রেতার রেকর্ড

টানা ৩০ ঘণ্টা অ্যাকোরিয়ামে ডুবে থেকে নজির গড়লেন হাওড়ার যুবক। পেশায় আদতে তিনি চা বিক্রেতা। তবে জলে সময় কাটানো থেকে শুরু করে, সাঁতারেও নানা রেকর্ড রয়েছে তাঁর।

Advertisement
টানা ৩০ ঘণ্টা জলভর্তি অ্যাকোয়ারিয়ামে ডুবে রইলেন, হাওড়ার চা বিক্রেতার রেকর্ডইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস–এ নাম উঠল হাওড়ার চা বিক্রেতার
হাইলাইটস
  • ৩০ ঘণ্টা অ্যাকোরিয়ামে ডুবে থেকে এক নয়া নজির গড়লেন হাওড়ার যুবক।
  • রেকর্ড গড়তে এই দুঃসাহসিক কাণ্ড করলেন তিনি। ফলও পেলেন হাতেনাতে।
  • পেশায় চা বিক্রেতা হলেও জলই তাঁর স্বপ্ন ধ্যানজ্ঞান। এর আগেও গঙ্গায় নানা কর্মকাণ্ড দেখিয়েছে সে।

৩০ ঘণ্টা অ্যাকোয়ারিয়ামে ডুবে থেকে এক নয়া নজির গড়লেন হাওড়ার যুবক। রেকর্ড গড়তে এই দুঃসাহসিক কাণ্ড করলেন তিনি। ফলও পেলেন হাতেনাতে। ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস–এ নাম উঠল হাওড়ার মুকেশ গুপ্তার। পেশায় চা বিক্রেতা হলেও জলই তাঁর স্বপ্ন ধ্যানজ্ঞান। এর আগেও গঙ্গায় নানা কর্মকাণ্ড দেখিয়েছে সে। তবে এবার এক অনন্য নজির।

মুকেশ ঠিক কী করলেন?

শুক্রবার দুপুরে এই চ্যালেঞ্জে নামেন মুকেশ। এদিন রামকৃষ্ণপুর ঘাটের ধারে ৩x২x২ অ্যাকোরিয়ামের ভিতরে ঢুকে গুটিসুটি মেরে বসে পড়ে সে। এরপর সেখানেই কাটিয়ে ফেলেন ৩০ ঘণ্টা। শনিবার সন্ধ্যায় অ্যাকোয়ারিয়াম থেকে উঠেই নয়া রেকর্ড গড়েন ওই যুবক। ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস–এ নাম ওঠে তাঁর। এই কীর্তি গড়ার পর মুকেশকে অভিনন্দন জানাতে হাজির হন রাজ্যের মন্ত্রী উমেশ রাইও। 

জানা গিয়েছে, এর আগেও নানা দুঃসাহসিক কাজ করেছেন এই যুবক। ছোট বেলা থেকেই সাঁতারে ওস্তাদ হয়ে ওঠে মুকেশ। হাত বেঁধে হাওড়ার গঙ্গা এপার-ওপার করা থেকে শুরু করে, হাওড়া ব্রিজ, বিদ্যাসাগর সেতু–সহ বিভিন্ন ব্রিজ থেকে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার মতো রেকর্ড রয়েছে তাঁর নামে। এমনকি নদীতে নদীতে সাঁতার কেটে মায়ানমার যাওয়ারও রেকর্ড রয়েছে তাঁর নামেই।

তবে অ্যাকোয়ারিয়ামের চ্যালেঞ্জ একেবারে অভিনব। ৩০ ঘণ্টার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েই অ্যাকোরিয়ামে নেমেছিল সে। সঙ্গে ছিল একটি ওয়াটার গগলস আর নিঃশ্বাস নেওয়ার জন্য একটি বাঁশের নল। জল থেকে উঠে মুকেশ জানায়, "হাত ও পায়ের পাতার চামড়া জলের ফলে কুঁচকে যাওয়া ছাড়া তার আর কোনও সমস্যা নেই।" যদিও জল থেকে ওঠার পরেই দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে প্রাথমিক পরীক্ষার পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

জানা গিয়েছে, মুকেশ ও তাঁর মা মিলে এলাকাতেই একটি চায়ের দোকান চালাতেন। কিন্তু সম্প্রতি সেই দোকান ভাঙা পড়ার পর থেকে কার্যত বেকার অবস্থায় দিন কাটছে তাঁর। এই পড়ে পাওয়া অবসরের মধ্যেই অ্যাকোরিয়ামে ৩০ ঘণ্টা থাকার রেকর্ড গড়ে ফেললেন যুবক। মন্ত্রী উমেশ রাই অবশ্য এদিন তাঁর জন্য একটি চাকরির আশ্বাস দিয়েছেন।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement