রুবিতে একই আবাসনের তিনটি ফ্ল্যাটে দুঃসাহসিক চুরিফের শহর কলকাতায় দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা। এবার দক্ষিণ কলকাতার রুবি এলাকার একটি আবাসনের একাধিক ফ্ল্যাটে হানা দিল দুষ্কৃতীরা। গত ২৯ জানুয়ারি মধ্যরাতে এই চুরির ঘটনা ঘটেছে। কলকাতার অভিজাত এলাকায় এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে কলকাতার ১০৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাইপাস রুবি এলাকার মার্শেলিন সোসাইটিতে এই চুরির ঘটনা ঘটে। আবাসনের সেক্রেটারি তাপস মুখোপাধ্যায় bangla.aajtak.in-কে জানান, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে এই চুরির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার সকালে ফোনে তিনি বিষয়টি জানতে পারেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পান, মোট তিনটি ফ্ল্য়াটে একই কায়দায় ওই রাতেই চুরির ঘটনা ঘটেছে। কোলাপসেবেল গেটের তালা কেটে ও মূল দরজার লক ভেঙে ভিতরে ঢুকেছিল দুষ্কৃতীরা। এরপর একাধিক জিনিস নিয়ে চম্পট দিয়েছে।
যদিও কত টাকার কী কী সামগ্রী চুরি হল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কারণ, যে তিনটি ফ্ল্যাটে চুরি হয়েছে সেগুলিতে ওই রাতে কোনও আবাসিক ছিলেন না। মূলত ওই ফ্ল্যাট মালিকরা ভিন রাজ্যে থাকেন। তাঁরা এক-দু'দিনের মধ্যেই কলকাতায় আসবেন। তারপরেই কত টাকার চুরি হয়েছে, তা স্পষ্ট হবে।
শুক্রবারেই অবশ্য কসবা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চুরি যাওয়া ফ্ল্যাটগুলির পরিদর্শন করেছেন। এছাড়াও, লালবাজারের তরফেও চুরির ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
তাপস মুখোপাধ্যায় দাবি করেন, "যে রাতে এই চুরির ঘটনা ঘটেছে, সেই রাতেই রহস্যজনক ভাবে সিসিটিভি ক্যামেরার রেকর্ড কয়েক ঘণ্টার জন্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে সিকিউরিটি এজেন্সির সঙ্গে কথাও বলছেন পুলিশ আধিকারিকরা।"
উল্লেখ্য বিষয় হল, এই মার্শেলিন সোসাইটিতেই থাকেন ১০৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর লিপিকা মান্না। তিনি জানিয়েছেন, "চুরির বিষয়টি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। কারণ এই আবাসনে বহু এমন ব্যক্তি থাকেন, যাদের ছেলে মেয়েরা বাইরে থাকেন। বহু প্রবীণ ব্যক্তি, মহিলারা ফ্ল্যাটে একাই থাকেন। ফলে বিষয়টি যথেষ্ট চিন্তাজনক।"