আর্থিক ভাবেও TMC-র বিরাট ধাক্কা, বিদ্রোহী বিধায়কদের অ্যাকশনে ফ্রিজ ৪৪০ কোটি টাকা

TMC-র প্রায় ৪৪০ কোটি টাকা থাকা তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টকে ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ ওই অ্যাকাউন্টগুলি থেকে আর টাকা তোলা যাবে না। 

Advertisement
আর্থিক ভাবেও TMC-র বিরাট ধাক্কা, বিদ্রোহী বিধায়কদের অ্যাকশনে ফ্রিজ ৪৪০ কোটি টাকাবিদ্রোহী বিধায়কদের অ্যাকশনে ফ্রিজ ৪৪০ কোটি টাকা
হাইলাইটস
  • নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের খারাপ সময় যেন আর কাটতেই চাইছে না।
  • ৪৪০ কোটি টাকা থাকা তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টকে ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছে।
  • জুলুম করে তোলাবাজির মাধ্যমে এই অ্যাকাউন্টগুলিতে টাকা জমা করা হয়ে থাকতে পারে।

৪ মে বিধানসভা ২০২৬ নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের খারাপ সময় যেন আর কাটতেই চাইছে না। এবার নতুন করে ধাক্কা এল আর্থিক দিক থেকে। সাম্প্রতিক আপডেটে জানা গিয়েছে, TMC-র প্রায় ৪৪০ কোটি টাকা থাকা তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টকে ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ ওই অ্যাকাউন্টগুলি থেকে আর টাকা তোলা যাবে না। 

বিদ্রোহী বিধায়করা এই অ্যাকাউন্টগুলিতে জমা হওয়া অর্থের উৎস নিয়ে তদন্তের দাবি জানাতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, এই অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার ফলে অ্যাকাউন্টগুলি থেকে আর কোনও টাকা তোলা বা বাইরের লেনদেন করা যাবে না। তবে  টাকা জমা দেওয়ার অনুমতি থাকবে। 

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্রোহী বিধায়কদের এই পদক্ষেপ তৃণমূলের অন্দরে চলা ক্ষমতা দখলের লড়াইকেই আরও তীব্র করল। সূত্রের দাবি, বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং বিরোধীনেতা ঋতব্রত বন্দ্য়োপাধ্যায়ের শিবিরের মধ্যে সাংগঠনিক ও আর্থিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস ক্রমশ বিভক্ত হয়ে পড়েছে। বিদ্রোহী শিবিরের ১০ জন বিধায়ক বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের সাইবার ক্রাইম থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। যেখানে অ্যাকাউন্টগুলির বিষয়ে বিস্তারিত তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে যে, এই অ্যাকাউন্টগুলিতে জমা হওয়া ফান্ডের উৎস সন্দেহজনক এবং এর তদন্ত প্রয়োজন। বিধায়কদের অভিযোগ, অ্যাকাউন্টগুলিতে জমা হওয়া ফান্ড অবৈধ কার্যকলাপ, ঘুষ, সরকারি তহবিলের অপব্যবহার এবং কেলেঙ্কারি থেকে আসতে পারে।

বিদ্রোহী MLA-দের দাবি, বিশ্বাসযোগ্য পরিস্থিতি ও ঘটনা থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে নানাভাবে প্রভাব খাটিয়ে, অসৎ আর্থিক লেনদেন এবং অবৈধ জুলুম চাপিয়ে তোলাবাজির মাধ্যমে এই অ্যাকাউন্টগুলিতে টাকা জমা করা হয়ে থাকতে পারে। তাই, পুরো বিষয়টি নিয়ে একটি ফৌজদারি তদন্ত হওয়া উচিত। 

অন্যদিকে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের শিবিরের একজন সিনিয়র বিধায়ক জানিয়েছেন, অ্যাকাউন্টগুলি ফ্রিজ  করার বিষয়ে তাঁরা তথ্য পেয়েছেন কিন্তু অফিসিয়াল কোনও নোটিফিকেশন এখনও আসেনি।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement