হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে আজ রাস্তায় নামছে তৃণমূল, ধর্মতলায় প্রতিবাদ সভায় মমতা

হকার উচ্ছেদ ইস্যুকে কেন্দ্র করে আবারও রাজপথে নামছে তৃণমূল। শহরের বিভিন্ন এলাকায় চলা উচ্ছেদ অভিযানের প্রতিবাদে বুধবার ধর্মতলায় সভার ডাক দিয়েছে দল। বিকেল ৩টায় কেশব দাসের মূর্তির সামনে থেকে শুরু হবে এই কর্মসূচি। সেখানে উপস্থিত থেকে নিজেই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে পারেন তৃণমূল নেত্রী ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement
হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে আজ রাস্তায় নামছে তৃণমূল, ধর্মতলায় প্রতিবাদ সভায় মমতাহকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে পথে নামছে তৃণমূল।-সংগৃহীত ছবি
হাইলাইটস
  • হকার উচ্ছেদ ইস্যুকে কেন্দ্র করে আবারও রাজপথে নামছে তৃণমূল।
  • শহরের বিভিন্ন এলাকায় চলা উচ্ছেদ অভিযানের প্রতিবাদে বুধবার ধর্মতলায় সভার ডাক দিয়েছে দল।

হকার উচ্ছেদ ইস্যুকে কেন্দ্র করে আবারও রাজপথে নামছে তৃণমূল। শহরের বিভিন্ন এলাকায় চলা উচ্ছেদ অভিযানের প্রতিবাদে বুধবার ধর্মতলায় সভার ডাক দিয়েছে দল। বিকেল ৩টায় কেশব দাসের মূর্তির সামনে থেকে শুরু হবে এই কর্মসূচি। সেখানে উপস্থিত থেকে নিজেই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে পারেন তৃণমূল নেত্রী ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তৃণমূলের অভিযোগ, শহরের হকারদের উপর অন্যায়ভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে এবং তাঁদের জীবিকা বিপন্ন করে তোলা হচ্ছে। সেই কারণেই এই প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন। দলের পক্ষ থেকে হকারদেরও সভায় যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, ফুটপাত ও রাস্তার ধারে ব্যবসা করে বহু পরিবার জীবিকা নির্বাহ করে। উচ্ছেদ অভিযানের ফলে তাঁদের রুজি-রোজগারের পথ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই এই আন্দোলনকে শুধু রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, জীবিকা ও মানবিক অধিকারের লড়াই হিসেবেও তুলে ধরছে দল।

দলের একাংশের দাবি, সাম্প্রতিক উচ্ছেদ অভিযানকে ঘিরে হকারদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করে আসা বহু মানুষ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। সেই পরিস্থিতিতে ধর্মতলার এই সভাকে হকারদের পাশে থাকার বার্তা এবং সংগঠনের শক্তিপ্রদর্শন, দুই হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ইস্যুতে সরাসরি আন্দোলনের পথ বেছে নিচ্ছে তৃণমূল। হকার উচ্ছেদ প্রসঙ্গেও সাধারণ মানুষের জীবিকার প্রশ্নকে সামনে এনে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছে দল। বিশেষ করে শহরাঞ্চলে হকারদের একটি বড় সামাজিক ও ভোটভিত্তি থাকায় বিষয়টির রাজনৈতিক গুরুত্বও যথেষ্ট।

এর আগেও এই ইস্যুতে সরব হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ ছিল, মানুষকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে এবং আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই উচ্ছেদ ও ভাঙচুর চালানো হচ্ছে। তাঁর দাবি, কোনও নির্মাণে অনিয়ম থাকলে আইন অনুযায়ী জরিমানা বা সংশোধনের সুযোগ দেওয়া উচিত। কিন্তু বর্তমান প্রশাসন সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই একতরফা পদক্ষেপ করছে।

Advertisement

সেই অভিযোগ ও প্রতিবাদকে সামনে রেখেই বুধবার ফের ধর্মতলার রাজপথে নামছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হকারদের ভবিষ্যৎ ও জীবিকার প্রশ্নে এই কর্মসূচি রাজনৈতিকভাবে কতটা তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

 

TAGS:
POST A COMMENT
Advertisement