শীত বিদায়ের পথে ঠিক যেম টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে গোহারা হারাল ভারত, তেমনই বাংলা থেকে শীতও বোল্ড আউট! এবারের মতো বিদায়ের পথে শীত। তবে এখনও কলকাতা তথা দক্ষিণবঙ্গে ভোরের দিকে হাল্কা ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। জেলায় জেলায় কুয়াশাও রয়েছে। যদিও আবহাওয়ার এই পরিস্থিতি যে আর খুব বেশি দিন দেখা যাবে না তা নিশ্চিত। কারণ ভোরের দিকে শিরশিরানি ভাব বেলা গড়াতে না গড়াতেই ফুরুৎ হচ্ছে। সঙ্গে বাড়ছে রোদের তেজ। ফ্যান না চালালে তীব্র অস্বস্তিবোধ করছেন সকলেই। ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি এমন আবহাওয়ায় মোটে খুশি নন রাজ্যবাসী।
নিম্নচাপের কী প্রভাব রাজ্য়ে?
অন্যদিকে আবার IMD-র দেওয়া তথ্য বলছে, পূর্ব নিরক্ষীয় ভারত মহাসাগর এবং সংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের উপর একটি নিম্নচাপ চোখ রাঙাচ্ছে। নিম্নচাপের জেরে বাংলায় বৃষ্টি হবে কিনা, তা এখনও জানায়নি আবহাওয়া দফতর। তবে আবহাওয়ায় বড়সড় বদলের ইঙ্গিত রয়েছে। তাপমাত্রা আরও বেশ খানিকটা বেড়ে যেতে পারে।
কেমন থাকবে আগামী ৭ দিনের আবহাওয়া?
চলতি সপ্তাহের শেষে শীতের শেষ রেশটুকুও অনেকটাই মিলিয়ে যাবে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। কলকাতায় বর্তমানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬ থেকে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা রয়েছে। তবে চলতি সপ্তাহে তা বেড়ে ১৯ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছতে পারে। একই সঙ্গে দিনের তাপমাত্রা ৩০ থেকে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠতে পারে। ফলে দুপুরের পর থেকেই গরমের আমেজ স্পষ্ট হবে মহানগরে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেও প্রায় একই চিত্র। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৯ থেকে ৩২ ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ থেকে ১৭ ডিগ্রির আশপাশে ঘোরাফেরা করবে। সকালে হালকা কুয়াশা বা শিশিরের আবেশ থাকলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। সকাল ৮টা-৯টার মধ্যেই মিলিয়ে যাবে শীতের ছাপ। ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৯ ডিগ্রির আশেপাশে। ১৭ থেকে ২১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এই তাপমাত্রা পৌঁছে যেতে পারে ৩১ ডিগ্রিতে। অর্থাৎ ফেব্রুয়ারিতেই হবে গলদঘর্ম দশা।