Gyanesh Kumar: 'জ্ঞানেশ কুমারের পদ্মভূষণ পাওয়া উচিত,' বলছেন শমীক, কেন?

জ্ঞানেশ কুমারকে যখন পদ্মভূষণ দেওয়া উচিত বলে মনে করছেন শমীক, তখন বিরোধীরা কিন্তু মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ইস্তফা চেয়ে একজোট। ওদিকে ককরোচ জনতা পার্টির নেতা অভিজিত্‍ দীপকে ডেডলাইন দিয়েছেন। CJP-র দাবি, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জ্ঞানেশ কুমার ইস্তফা না দিলে দেশজুড়ে আন্দোলন হবে।

Advertisement
 'জ্ঞানেশ কুমারের পদ্মভূষণ পাওয়া উচিত,' বলছেন শমীক, কেন?জ্ঞানেশ কুমার ও শমীক ভট্টাচার্য- পিটিআই
হাইলাইটস
  • জ্ঞানেশ কুমারকে পদ্মভূষণ দেওয়ার দাবি শমীকের
  • জ্ঞানেশকে ৪৮ ঘণ্টার ডেডলাইন CJP-র
  • কীভাবে বিতর্কের সূত্রপাত

SIR ইস্যুতে যখন দেশজুড়ে চরম বিতর্কের মুখে ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার, তখন জ্ঞানেশকে পদ্মভূষণ সম্মান দেওয়ার দাবি জানালেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। পশ্চিমবঙ্গে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্যই নাকি জ্ঞানেশের পদ্মভূষণ পাওয়া উচিত বলে যুক্তি শমীকের।

জ্ঞানেশ কুমারকে পদ্মভূষণ দেওয়ার দাবি শমীকের

রাজ্য বিজেপি সভাপতির কথায়, 'একজন পশ্চিমবঙ্গবাসী হিসেবে বলতে পারি ভোট পূর্ববর্তী, ভোট চলাকালীন, ভোট পরবর্তী হিংসা থেকে যিনি পশ্চিমবঙ্গকে বাঁচিয়েছেন এবং পশ্চিমবঙ্গের মানুষ পাঁচ বছর পর যে নির্বাচন দেখেছেন, যেখানে মৃত ভোটারদের নাম বাদ দিয়ে, ভুয়ো ভোটারদের নাম বাদ দিয়ে মানুষকে ভয়মুক্ত করে, তাঁর ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিয়েছেন যিনি, তিনি জ্ঞানেশ কুমার। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চেয়েছিলেন। ভোট দিতে চেয়েছিলেন। ত্রুটিমুক্ত ভোটার লিস্ট চেয়েছিলেন। সেটা যিনি করে দেখিয়েছেন তিনি জ্ঞানেশ কুমার। কমপক্ষে পদ্মভূষণ দেওয়া উচিত।'

জ্ঞানেশকে ৪৮ ঘণ্টার ডেডলাইন CJP-র

জ্ঞানেশ কুমারকে যখন পদ্মভূষণ দেওয়া উচিত বলে মনে করছেন শমীক, তখন বিরোধীরা কিন্তু মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ইস্তফা চেয়ে একজোট। ওদিকে ককরোচ জনতা পার্টির নেতা অভিজিত্‍ দীপকে ডেডলাইন দিয়েছেন। CJP-র দাবি, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জ্ঞানেশ কুমার ইস্তফা না দিলে দেশজুড়ে আন্দোলন হবে।

কীভাবে বিতর্কের সূত্রপাত

যাবতীয় বিতর্কের শুরু 'দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'-এর একটি প্রতিবেদন ঘিরে। যেখানে বলা হয়েছে, SIR প্রক্রিয়ায় একাধিক বিষয়ে বাকি দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সন্ধু ও বিবেক জোশীর  আপত্তি থাকা সত্ত্বেও একাই সব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১০ মাসে ১৪ বার নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছেন দুই নির্বাচন কমিশনার সান্ধু ও জোশী। নির্বাচন কমিশনের একটি সিদ্ধান্ত এবং নির্দেশিকা নিয়ে ১ দিনে ৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন তাঁরা। কিন্তু কোনও বারই তাঁদের আপত্তিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।

কংগ্রেস সূত্রে খবর, আইনি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করে জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ প্রস্তাবের একটি খসড়াও তৈরি হচ্ছে। বিরোধী দলগুলি পৃথকভাবে সংসদের দুই কক্ষেই নোটিস ইস্যু করতে পারে।

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement