রাজ্যে ইন্ডাস্ট্রির জন্য জায়গার অভাব হবে না, বন্ধ হওয়া শিল্পের জমির তালিকা তৈরি করছে সরকার

West Bengal Land: পশ্চিমবঙ্গকে শিল্প সহায়ক করে তুলতে জমি নিয়ে একাধিক পরিকল্পনা করছে রাজ্য সরকার। তার মধ্যে অন্যতম হল, শিল্পের জন্য দেওয়া অব্যবহৃত জমি পুনরুদ্ধার করা।

Advertisement
রাজ্যে ইন্ডাস্ট্রির জন্য জায়গার অভাব হবে না, বন্ধ হওয়া শিল্পের জমির তালিকা তৈরি করছে সরকারবন্ধ হওয়া শিল্পের জমির তালিকা তৈরি করছে সরকার
হাইলাইটস
  • শিল্পের হাল ফেরাতে বিজেপি সরকার যে বদ্ধপরিকর তা আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী।
  • অল কারখানার অব্যবহৃত জমি পুনরায় ব্যবহারের উপর গুরুত্ব দিতে চাইছে রাজ্য।
  • এই সরকার শিল্প ও অবকাঠামো প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণ করতে প্রস্তুত।

রাজ্যে শিল্পের হাল ফেরাতে বিজেপি সরকার যে বদ্ধপরিকর তা আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই মোতাবেক, একের পর এক পদক্ষেপও নিচ্ছে রাজ্য সরকার। এবার জানা যাচ্ছে, শিল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে অচল কারখানার অব্যবহৃত জমি পুনরায় ব্যবহারের উপর গুরুত্ব দিতে চাইছে রাজ্য।

কলকাতায় একটি শিল্প-সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত এই প্রস্তাব জানান। তিনি বলেন, নতুন শিল্প ও পরিকাঠামো প্রকল্পের জন্য আরও জমি উপলব্ধ করার লক্ষ্যে, বন্ধ ও নিষ্ক্রিয় শিল্পকারখানাগুলোর দখলে থাকা জমি পুনরুদ্ধার করতে নতুন আইন প্রণয়নের কথা ভাবছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। জানানো হয়েছে, সম্ভাব্য রাজনৈতিক প্রতিরোধ সত্ত্বেও এই সরকার শিল্প ও অবকাঠামো প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণ করতে প্রস্তুত।

অন্যদিকে, শিল্পের জন্য দেওয়া যেসব জমি দীর্ঘদিন অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে, সেই জমির তালিকা তৈরির সিদ্ধান্তও নিয়েছে নবান্ন। জানা গিয়েছে,  যারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রস্তাবিত বিনিয়োগ করেনি, তাদের সঙ্গে প্রথমে আলোচনা করে দ্রুত কাজ শুরুর নির্দেশ দেওয়া হবে। যদি কোনও কোম্পানি বিনিয়োগে অসম্মত হয়, তাদের সেই জমি ছেড়ে দিতে বলা হবে। তার পরেও কাজ না হলে আইনি পদক্ষেপ করার ব্যাপারেও হাঁটতে পারে রাজ্য সরকার।

চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে এই নিয়ে একটি বৈঠকও করা হয়েছে। শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়ের নেতৃত্বাধীন বিনিয়োগ সংক্রান্ত মন্ত্রিগোষ্ঠীর বৈঠকে এবিষয়ে আলোচনা হয়। মন্ত্রীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বপন দাশগুপ্ত, অগ্নিমিত্রা পাল এবং অর্জুন সিং। জানা গিয়েছে, বন্ধ কারখানার জমির তালিকা তৈরি ছাড়াও,  শিল্প স্থাপনের জন্য নতুন করে জমি খোঁজ শুরু হয়েছে। কলকাতা সংলগ্ন কিছু বড় লপ্তের জমি চিহ্নিত হয়েছে। শিল্পের জন্য যোগ্য সরকারি জমিও চিহ্নিত হচ্ছে। সব মিলিয়ে তৈরি হচ্ছে ‘ল্যান্ড ব্যাঙ্ক’। বিদেশি বিনিয়োগ টানতে বিভিন্ন দেশে কনসালটেন্ট নিযুক্ত করবে রাজ্য। 

 

POST A COMMENT
Advertisement