পার্থ চট্টোপাধ্যায় - ফাইল ছবি।বিগত কয়েক বছর ধরে নাকতলা দুর্গাপুজোর বড়কর্তা ছিলেন তিনি। সেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে এ বছরের পুজো কাটাতে হয়েছে জেলেই। এবার লক্ষ্মীপুজোতেও জেলেই থাকতে হবে তাঁকে। ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ল তাঁর জেল হেফাজতের মেয়াদ। জোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, কালীপুজোতেও জেলেই থাকতে হতে পারে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে।
বুধবার আদালতের কাছে জামিনের আর্জিই করেননি পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এর আগে নিজের শারীরিক অসুস্থতার কথা বলে জামিন-আর্জি করতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এমনকি তিনি নিজেও আদালতে উঠে দাঁড়িয়ে জামিন চেয়েছিলেন। স্বাভাবিক প্রশ্ন উঠছে, জামিনের আশা কি ছেড়েই দিয়েছেন পার্থ? এ দিন আগামী ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত পার্থের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। এসএসসি মামলায় অন্যান্য অভিযুক্ত শান্তিপ্রসাদ সিংহ, কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় এবং অশোক কুমার সাহারও শুনানি ছিল বুধবার। তাঁদেরও ১৪ দিনের জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
বুধবার আদালতে ভার্চুয়ালি হাজির করানো হয় পার্থকে। তবে তিনি জামিন চাননি। তবে শান্তিপ্রসাদ, কল্যাণময়, অশোকরা জামিনের আবেদন করেছিলেন। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য সুবীরেশকে ডিভিশন ওয়ান বন্দির তকমার আবেদন করা হয়। তা-ও খারিজ করে দেয় আদালত।
গত ২৩ জুলাই পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে ইডি। তার পর থেকে জামিন পাননি। শারীরিক অসুস্থতার দোহাই দিয়ে জামিন চেয়েছিলেন। তা-ও খারিজ হয়ে যায় তাঁর আর্জি। আদালতে ভেঙে পড়েছিলেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। এমনকি জামিন পেলে গৃহবন্দি থাকার শর্তও দিয়েছিলেন। তাতেও সাড়া পাননি। ইতিমধ্যে ইডি দাবি করেছে, একশো কোটি টাকার বেশি সম্পত্তি রয়েছে পার্থ ও অর্পিতার। এর মধ্যে চার্জশিটও পেশ করা হয়েছে। ইডির পর জেল হেফাজত, তার পর সিবিআই হেফাজতেও ছিলেন পার্থ। তাঁর আইনজীবী আদালতে দাবি করেছিলেন, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে পার্থর কোনও যোগ নেই। তিনি সরকারি আমলাদের উপর ভরসা করেছিলেন।
আরও পড়ুন- ফ্রি...ফ্রি...ফ্রি! 4G রিচার্জ করা থাকলে পাবেন 5G, যা করতে হবে...