কেমন আছেন মীরা ভট্টাচার্য?পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্য অসুস্থ হয়ে ভর্তি কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে। এমন পরিস্থিতিতে অনেকের মনেই প্রশ্ন, এখন কেমন আছেন তিনি? আর এই বিষয়টা খোলসা করেছে হাসপাতাল। তারা জানিয়েছে, আপাতত স্থিতিশীল রয়েছেন মীরা ভট্টাচার্য।
প্রসঙ্গত, ২১ অগাস্ট ২০২৬ কলকাতার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। সেখানে ডা: সৌতিক পাণ্ডার তত্ত্বাবধানে তাঁর চিকিৎসা চলছে।
হাসপাতাল সূত্রে খবর, মীরা ভট্টাচার্যের শরীরিক পরিস্থিতির দিকে সবসময় নজর রাখা হচ্ছে। সেই মতো একটি মাল্টিডিসিপ্লিনারি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এই বোর্ডে রয়েছেন কার্ডিয়োলজিস্ট অধ্যাপক ডা: সরোজ মণ্ডল, গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট ডা. শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় এবং এন্ডোক্রিনোলজিস্ট ডা: সেমন্তী চক্রবর্তী।
হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে, মীরা ভট্টাচার্যের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল। তাঁর শরীরের হাল জানতে প্রয়োজনীয় সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে।
কবে ছাড়া হবে হাসপাতাল থেকে?
এই বিষয়টাও খোলসা করে দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তারা জানিয়েছে, মীরা ভট্টাচার্যের শারীরিক অবস্থা এভাবেই স্থিতিশীল থাকলে ২৫ অগাস্ট, অর্থাৎ আজই তাঁকে ছুটি দেওয়া হবে। দুপুরের পর তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে চিকিৎসকদের।
হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, মীরা ভট্টাচার্যকে হাসপাতাল থেকে ডিসচার্জ করার আগে পর্যন্ত তাঁর শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী করা হবে চিকিৎসা।
কী হয়েছে মীরা ভট্টাচার্যের?
২১ অগাস্ট ৭৬ বছর বয়সী মীরা ভট্টাচার্য তীব্র পেটে ব্যথা নিয়ে শহরের এক বেসরকারি মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। গত দু’সপ্তাহ ধরে তাঁর মাঝে মাঝেই তীব্র পেটে ব্যথা হচ্ছিল। আর সেই সমস্যা নিয়ে এখনও তিনি হাসপাতালেই ভর্তি রয়েছেন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব
হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মীরা ভট্টাচার্য। এরই মাঝে গুজব ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। একদল দাবি করতে থাকেন, খুবই আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি তিনি। এমনকী একদল আরও এগিয়ে গিয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলেও দাবি করে। যদিও এমন পরিস্থিতিতে সক্রিয় হয় হাসপাতাল। তারা জানিয়ে দেয়, স্থিতিশীল রয়েছেন মীরা ভট্টাচার্য। তাঁর সমস্যা অনেকটাই কমেছে। তাঁর স্বাস্থ্যের দিকে কঠোর নজর রাখা হয়েছে। সব ধরনের পরীক্ষা করা হয়েছে। সব ঠিক থাকলে আজই তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে। তাই ভুল তথ্যের থেকে দূরে থাকতে হবে।