Kolkata Medical College: LPG সঙ্কটে 'ভাজার বদলে সেদ্ধ' কলকাতা মেডিক্যালে, রোগীর খাবার নিশ্চিত করতে আরও কী কী ব্যবস্থা?

LPG সঙ্কট রয়েছে গোটা দেশেই। আর সেই কথা স্বীকার করে নিয়েছে ভারত সরকারের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকও। আর এমন পরিস্থিতিতে রোগীদের খাবারের ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করতে বিশেষ পরিকল্পনা করেছে ঐতিহ্যের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ।

Advertisement
LPG সঙ্কটে 'ভাজার বদলে সেদ্ধ' কলকাতা মেডিক্যালে, রোগীর খাবার নিশ্চিত করতে আরও কী কী ব্যবস্থা?কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে LPG সঙ্কট
হাইলাইটস
  • LPG সঙ্কট রয়েছে গোটা দেশেই
  • আর সেই কথা স্বীকার করে নিয়েছে ভারত সরকারের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক
  • রোগীদের খাবারের ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করতে বিশেষ পরিকল্পনা করেছে ঐতিহ্যের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ

LPG সঙ্কট রয়েছে গোটা দেশেই। আর সেই কথা স্বীকার করে নিয়েছে ভারত সরকারের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকও। আর এমন পরিস্থিতিতে রোগীদের খাবারের ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করতে বিশেষ পরিকল্পনা করেছে ঐতিহ্যের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ।

রোগীদের খাবার নিশ্চিত করা হচ্ছে
এই বিষয়টি সম্পর্কে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের MSVP ডা: অঞ্জন অধিকারী বলেন, 'আমাদের কাছে রোগীরাই হলেন প্রধান প্রায়োরিটি। তাই সমস্যা শুরুর অনেক আগে থেকেই আমরা কাজে লেগে পড়ি। যাঁরা আমাদের রোগীদের খাবার তৈরি করে, সেই সংস্থার সঙ্গে কথা বলি। তাঁদের থেকে গ্যাসের স্টক জানতে চাওয়া হয়। পাশাপাশি আমরা কীভাবে সাহায্য করতে পারি, সেই প্রশ্নও করা হয়। এরপর গোটা বিষয়টা স্বাস্থ্য ভবনের কাছে জানিয়ে দিয়েছি আমরা। এখনও যা পরিস্থিতি, তাতে রোগীদের খাবারের ক্ষেত্রে কোনও সমঝোতা করছি না। এতদিন যা খাবার দেওয়া হতো, সেটাই এখনও দেওয়া হচ্ছে।'

এই প্রসঙ্গে বলে রাখি, মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের রোগীদের যেই ক্যান্টিন রয়েছে, সেটা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানেই একটি বেসরকারি সংস্থা চালায়। 

হোস্টেলের কী খবর?  
মেডিক্যাল কলেজ মানে শুধু রোগী নয়, পড়ুয়া চিকিৎসকরাও এখানকার অন্যতম স্টেক হোল্ডার। আর তাঁদের খাবারও যাতে বন্ধ না হয়, সেই দিকটা খেয়াল রাখা হয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষের তরফে। সেই মতো হোস্টেলের মেনু নিয়ে বসা হয়েছিল বলে জানান ডা: অধিকারী। তিনি বলেন, 'আমরা হোস্টেলের প্রতিনিধি ও যাঁরা মেস চালায়, তাঁদের সঙ্গে বসেছিলাম। সেই সময় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এখন থেকে এমন রান্না করা হবে, যাতে গ্যাস কম পোড়ে।' এক্ষেত্রে ভাজার বদলে সেদ্ধ খাবারেই বেশি জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানান হয়েছে হাসপাতালের পক্ষ থেকে।

হাসপাতালের ক্যান্টিন নিয়েও হয়েছে সিদ্ধান্ত
এই হাসপাতালে একাধিক ক্যান্টিন চলে। আর সেখানে চিকিৎসক থেকে শুরু করে রোগীর পরিবার-পরিজনরা খান। আর সেই সব ক্যান্টিনের সঙ্গে কথা হয়েছে বলে জানালেন ডা: অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, যতটা পরিষেবা দেওয়া যায়, ততটাই দেওয়া হবে বলে দাবি করেছে এই সব ক্যান্টিন কর্তৃপক্ষ। এমনকী গ্যাস শেষ হয়ে গেলে ইলেকট্রিকেও রান্না করার সুযোগ দেওয়া হবে। তবে তার আগে একবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। 

Advertisement

ফ্রি পরিষেবা বন্ধ নেই
ডা: অধিকারী বলেন, 'আমাদের হাসপাতালে বিভিন্ন সংগঠন রোগীর আত্মীয়দের বিনামূল্যে খাবার দেয়। আর সেই খাবার যেন বন্ধ না হয়ে যায়, সেই দিকটাও দেখতে বলেছি আমরা। হাসপাতালের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে, কিছু না পারেন তো ছাতু দিন, মুড়ি দিন। কিন্তু পরিষেবা বন্ধ করবেন না।'

পরিশেষে তাঁর বক্তব্য, 'অসুবিধা যে একদম হচ্ছে না তা নয়। তবে আমরা প্ল্যান করে এগচ্ছি। তাই বড়সড় বিপদ এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে।'

 

POST A COMMENT
Advertisement