দিলীপ ঘোষরবিবারই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা। এই ব্লকের নেতারা গিয়ে জানিয়ে আসেন যে তাঁরা নতুন একটি দলে যোগ দিচ্ছেন। আর আজ এই বিষয়টা নিয়ে মুখ খুলছেন রাজ্যের পঞ্চায়েত এবং গ্রামোন্নয়নমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তাঁর মতে, যে কোনও সাংসদ চাইলে স্পিকারের সঙ্গে দেখা করতে পারেন।
আজ সকালে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, 'যে কোনও সাংসদ চাইলে স্পিকারের সঙ্গে কথা বলতে পারেন। কেন দেখা করেছেন? কী উদ্দেশ্য ছিল? কী কথা হয়েছে? আমি এসব জানি না। কিন্তু এই কথাটা ঠিক যে ভিতরে ভিতরে অনেক কিছু চলছে। দেখা যাক তার ফলাফল কী হয়। রোজই তৃণমূলে ভাঙন ধরছে। এর ভবিষ্যৎ কী, সেটা সময়ই বলে দেবে।'
প্রসঙ্গত, লোকসভায় তৃণমূলের ভাঙন চলছে। বিদ্রোহী হয়েছেন ২০ সাংসদ। তাঁরা যোগ দিচ্ছেন ন্যাশনাল সিটিজেন্স পার্টিতে। এই দলটির আত্মপ্রকাশ ২০২৩ সালে। আর নতুন এই দলে যোগ দেওয়ার পরই ঘাসফুলের বিদ্রোহী ব্লকটি জানিয়েছে যে এখন থেকে তাঁরা এনডিএ-কে সাপোর্ট করবে। আর এই বিষয়টা প্রসঙ্গেও নিজের মতামত জানান বিজেপি নেতা দিলীপ।
তিনি বলেন, 'একবার লিখিত আবেদন জমা পড়লে এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য খতিয়ে দেখা হলে স্পিকার সিদ্ধান্ত নেবেন। যদি তাঁদের পৃথক দল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়, তাহলে তাঁরা আলাদা আসন পেতে পারেন। তবে এটাও সত্যি যে, সবাই তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়তে চাইছেন।'
মাথায় রাখতে হবে, তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদদের তালিকায় রয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়নী ঘোষ ও মালা রায়রা। জল্পনা করা হচ্ছিল, তাঁরা সরাসরি এনডিএ-তে যোগ দিতে পারবেন না। এমতাবস্থায় নতুন দলে যোগ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন তাঁরা।
এই বিদ্রোহী ব্লকটি যোগ দিচ্ছে ত্রিপুরার ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া বা এনসিপিআই-তে। বাঙালি-কেন্দ্রিক দলটি ত্রিপুরা এবং অসমে অনেক আগে থেকেই কাজ করছে। এবার দলটা বাংলাতেও পা রাখতে চলেছে।
অভিষেক প্রসঙ্গে কী বললেন?
এ দিন তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বারবার সিআইডি-এর জিজ্ঞাসাবাদ নিয়েও মুখ খোলেন দিলীপ। তিনি বলেন, 'তাঁকে বারবার যেতে হয়েছে। তিনি আগেও গিয়েছেন, আর এখন সিআইডি তাঁকে তলব করছে, ইডিও নোটিস পাঠাচ্ছে...'