Kolkata Mayor: কলকাতার পরবর্তী মেয়র কে? সাদা পাতায় সই করতেই চাইছেন না কাউন্সিলররা

দলের একাংশের দাবি, শোভন চট্টোপাধ্যায়কে মেয়র করা নিয়ে নাকি আলোচনা চলছে। অন্যদিকে ডেপুটি মেয়র পদে অতীন ঘোষের নাম উঠে আসছে। তবে সবই জল্পনার মধ্যে রয়েছে। খাতায়কলমে কলকাতা পুরসভায় তৃণমূলের কাউন্সিলর সংখ্যা ১৩৬ জন।

Advertisement
 কলকাতার পরবর্তী মেয়র কে? সাদা পাতায় সই করতেই চাইছেন না কাউন্সিলররাকলকাতা পুরসভা
হাইলাইটস
  • সংখ্যাগরিষ্ঠ কাউন্সিলর সই করতে নারাজ
  • কাদের নাম উঠে আসছে পরবর্তী মেয়র ও ডেপুটি মেয়র হিসেবে?
  • চন্দননগর পুরসভাতেও একই ব্যবস্থা

কলকাতার পরবর্তী মেয়র করে হতে চলেছেন? ফিরহাদ হাকিমের ইস্তফার পরে আপাতত এটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের নাম শোনা গেলেও, এই বিষয়ে কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে রাজি নন। এহেন পরিস্থিতিতে এই আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে, কলকাতা পুরসভা আদৌ তৃণমূলের দখলে থাকবে কি না। কারণ একের পর এক কাউন্সিলরের ইস্তফা ও দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতারিতে কলকাতা পুরসভাতেও রাশ একেবারে আলগা হয়ে গিয়েছে তৃণমূলের।

সংখ্যাগরিষ্ঠ কাউন্সিলর সই করতে নারাজ

জানা যাচ্ছে, তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে একটি সাদা পাতায় সই সংগ্রহ করা হচ্ছে কাউন্সিলরদের। রবিবার কাউন্সিলরদের মিটিংয়ে ডেকেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সেই মিটিং বাতিল করা হয়। এবার সাদা পাতা কাউন্সিলরদের সই নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ওই কাগজে লেখা, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাঁকে মেয়র হিসেবে মনোনীত করবেন, তাঁর প্রতিই আমার সমর্থন থাকবে।'মেয়াদ শেষের ৭ মাস আগেই ফিরহাদ হাকিমের ইস্তফায় পুরসভায় জটিলতা তৈরি হয়েছে। কলকাতা পুরসভাকে দখলে রাখতে দ্রুত মেয়র বসানোর চেষ্টা করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতা কাউন্সিলরদের ডেকে সই সংগ্রহের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বেশির ভাগ কাউন্সিলরই সই করতে চাননি। বোর্ডের একাধিক মেয়র পারিষদ, বোরো চেয়ারম্যান, কাউন্সিলর নিজেদের দূরে রেখেছেন সই করা থেকে। 

কাদের নাম উঠে আসছে পরবর্তী মেয়র ও ডেপুটি মেয়র হিসেবে?

দলের একাংশের দাবি, শোভন চট্টোপাধ্যায়কে মেয়র করা নিয়ে নাকি আলোচনা চলছে। অন্যদিকে ডেপুটি মেয়র পদে অতীন ঘোষের নাম উঠে আসছে। তবে সবই জল্পনার মধ্যে রয়েছে। খাতায়কলমে কলকাতা পুরসভায় তৃণমূলের কাউন্সিলর সংখ্যা ১৩৬ জন। তার মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ কাউন্সিলরের সই লাগবে। তবেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পছন্দের ব্যক্তিকে মেয়র করা সম্ভব। যদিও একটি বাংলা সংবাদমাধ্যমকে শোভন এই বিষয়ে জানিয়েছেন,  'অকারণ মরিচীকার দিকে দৌড়নোর মানেও নেই। যদি নতুন মেয়র হন কেউ, সেটাও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের মধ্যে দিয়ে আসবে এবং সেটা প্রশাসনিক ভাবে কার্যকর হবে। আগে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত হোক, তারপর সেটা প্রশাসনে আসবে। তখন স্পষ্ট হবে উত্তর।'

Advertisement

চন্দননগর পুরসভাতেও একই ব্যবস্থা

পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের কথায়, 'কলকাতা পুরসভার নতুন মেয়র নির্বাচনের জন্য ৭২ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছে। পুর-কমিশনারের কাছে কিছু প্রশ্নের উত্তর জানতে চাওয়া হয়েছে। ঠিকঠাক উত্তর না মিললে আইন মতো ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে বসানো হবে প্রশাসক।' শুক্রবার বেলা সাড়ে ৩টে থেকে ৪টের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন ফিরহাদ। সেই হিসেবে সরকারের দেওয়া ৭২ ঘণ্টার সময়সীমা শেষ হচ্ছে আজ সোমবার বিকেলের মধ্যে। সম্প্রতি বিধাননগর পুরসভায় মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তীর পদত্যাগের পর প্রশাসক বসিয়েছে রাজ্য। চন্দননগর পুরসভাতেও একই ব্যবস্থা হয়েছে। 

POST A COMMENT
Advertisement