বাংলায় বিশ্বের বৃহত্তম দই কারখানা, রোজ কত উৎপাদন? কত লোকের চাকরি?

ভার্চুয়ালি আমুল বেঙ্গল ডেয়ারি প্রকল্পের এই কারখানার শিলান্যাস ও ভূমিপূজা করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। হাওড়ায় ৭০০ কোটি টাকা খরচ করে এই প্রজেক্ট গড়ে তোলা হবে।

Advertisement
বাংলায় বিশ্বের বৃহত্তম দই কারখানা, রোজ কত উৎপাদন? কত লোকের চাকরি?কলকাতায় গড়ে উঠছে বিশ্বের বৃহত্তম দই কারখানা
হাইলাইটস
  • প্রায় ৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগে আমুল বেঙ্গল ডেয়ারি প্রকল্প গড়ে তুলছে আমুল।
  • র্তমানে রাজ্যে প্রতিদিন প্রায় ৯ লক্ষ লিটার দুধ সংগ্রহ করা হচ্ছে।
  • প্রায় ৩০ লক্ষ লিটার দুধ প্রক্রিয়াকরণ করা হবে।

রাজ্যে পালাবদলের পরই নতুন সরকার শিল্পের ঘোষণা করেছিল। সরকারের বয়স আড়াই হতে না হতেই সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষায় একধাপ এগোচ্ছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। কলকাতায় শিলান্যাস করা হচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম দই উৎপাদক কারখানার। আজ, রবিবার বিকেল সাড়ে ৩টে নাগাদ  নিউ টাউন কনভেনশন সেন্টারে ভার্চুয়ালি আমুল বেঙ্গল ডেয়ারি প্রকল্পের এই কারখানার শিলান্যাস ও ভূমিপূজা করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ অন্য ব্যক্তিরাও।

হাওড়া ফুড পার্কে প্রায় ৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগে আমুল বেঙ্গল ডেয়ারি প্রকল্প গড়ে তুলছে আমুল। এই প্রজেক্টটি সম্পূর্ণ রূপে তৈরি হওয়ার পর চালু হলে  প্রতিদিন প্রায় ৩০ লক্ষ লিটার দুধ প্রক্রিয়াকরণ, প্রায় ১০ লক্ষ কিলোগ্রাম দই এবং অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনের ক্ষমতা সম্পন্ন কারখানা হবে।

যে প্রস্তাব এই কারখানার জন্য দেওয়া হয়েছে, সেই মতো প্রকল্প সম্পন্ন হলে দৈনিক উৎপাদনের মধ্যে রয়েছে ১০ লক্ষ লিটার দুধ প্যাকেজিং, ২ লক্ষ লিটার ইউএইচটি দুধ প্রক্রিয়াকরণ, ১ লক্ষ লিটার আইসক্রিম উৎপাদন, ২০ মেট্রিক টন পনির, ১০ মেট্রিক টন ঘি এবং ১০ মেট্রিক টন মিষ্টি উৎপাদন।

উল্লেখ্য বিষয় হল, এরাজ্যে আমুলের  সমবায়  ধারাবাহিকভাবে সম্প্রসারিত হচ্ছে। বর্তমানে রাজ্যের ১.২৫ লক্ষেরও বেশি দুধ উৎপাদনকারী আমুলের সমবায়ের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৩০ হাজারেরও বেশি মহিলা। এদের সহযোগিতায় বর্তমানে রাজ্যে প্রতিদিন প্রায় ৯ লক্ষ লিটার দুধ সংগ্রহ করা হচ্ছে। নতুন এই কারখানা গড়ে উঠলে কর্মসংস্থান ডাবল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। 

আমুল বেঙ্গল ডেয়ারি প্রকল্প পশ্চিমবঙ্গের দুগ্ধ শিল্পে আধুনিক প্রক্রিয়াকরণ, মূল্য সংযোজন এবং বিপণন সুবিধার সম্প্রসারণ ঘটাবে। এর ফলে দুধ ব্যবসায়ীরা তাঁদের পণ্যের জন্য আরও উন্নত এবং স্থায়ী বাজার পাবেন। তাঁদের আয়ও বাড়বে। একই সঙ্গে রাজ্যে দুগ্ধ সমবায়কে আরও শক্তিশালী করে এই প্রকল্প বাংলায় হোয়াইট রেভলিউশনের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।

Advertisement

এদিন হোয়াইট রেভলিউশন ২.০-এর আওতায় পশ্চিমবঙ্গে নবগঠিত ২০০টিরও বেশি দুগ্ধ সমবায় সমিতির মধ্যে একটি সমিতিকে অমিত শাহ রেজিষ্ট্রেশন সার্টিফিকেট দিতে চলেছেন। অন্যদিকে, রাজ্যে সদ্য রেজিস্টার করা ১১টি বহুমুখী গ্রামীণ সমবায় সমিতির মধ্যে একটি সমিতিকেও প্রতীকী রেজিষ্ট্রেশন সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।

 

POST A COMMENT
Advertisement