কলাপাতায় বরিশালি স্পেশাল নারকেল চিংড়ি পিঠেবাঙাল পরিবারের রান্নার স্বাদ যে দারুণ হয়, তা নিয়ে খুব বেশি দ্বিমত নেই। কলাপাতায় মোড়া নারকেল চিংড়ি পিঠে এমনই একটি ঐতিহ্যবাহী রান্না। কলাপাতার ভিতরে নারকেল আর চিংড়ির দারুণ মেলবন্ধন বরিশালের এই ঐতিহ্যবাহী পদটিকে একেবারে অনন্য করে তুলেছে। ভাতের সঙ্গে নারকেল চিংড়ি পিঠে একবার খেলে স্বাদ মনে থেকে যাবে সারাজীবন।
উপকরণ:
এই পিঠে বানাতে লাগবে মাঝারি আকারের চিংড়ি, নারকেল কোরা, পেঁয়াজ কুচি, কাঁচালঙ্কা কুচি, হলুদ, নুন, সামান্য লঙ্কাগুঁড়ো এবং সর্ষের তেল। সঙ্গে লাগবে পরিষ্কার করে ধুয়ে নেওয়া কলাপাতা।
কী করে বানাবেন?
প্রথমে চিংড়ি পেস্ট করে নিতে হবে। একইসঙ্গে নারকেল কুড়িয়ে সেটিকেও পেস্ট করে মিশিয়ে নিতে হবে নারকেল ও চিংড়ি। এরপর তাতে যোগ করতে হবে প্রয়োজন মতো লঙ্কা, হলুদ, নুন ও তেল।
কলাপাতা ছোট টুকরো করে আগুনের আঁচে সামান্য সেঁকে নিলে তা নরম হয়ে যাবে এবং সহজে ভাঁজ করা যাবে। এবার একটি পাতার উপর তেল দিয়ে পাতার উপর চিংড়ি-নারকেলের মিশ্রণ ঢেলে দিতে হবে। সেটিকে একটি ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ওভেনে রেখে ভাপাতে হবে।
মাঝারি আঁচে প্রায় ১৫-২০ মিনিট ভাপে রান্না করলেই তৈরি হয়ে যাবে বরিশালি স্টাইলে নারকেল চিংড়ি পিঠে। তবে এটি হবে একপাশ। ফের ভাপা পিঠেটিকে উল্টে দিতে হবে অন্য কলাপাতায়। পাতার গন্ধ আর নারকেলের সঙ্গে চিংড়ির স্বাদ এই পদটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে। খাবার সাজাতে পেঁয়াজ ও টমেটো দিতে পারেন। দারুণ এই খাবার খেতে হয় মিষ্টি, আর নোনতা-ঝাল স্বাদে একেবারে অতুলনীয়। একবারে খেলে স্বাদ মুখে লেগে থাকবে সারাজীবন।