বাঙালি মুগ ডাল দিয়েই তৈরি করুন ধোকলাআজকাল খাবারের স্বাদ বদল করার রেওয়াজ ধীরে ধীরে বাড়ছে। সেই কারণেই বাঙালি বাড়িতেও ধোকলা, ঠেকুয়ার মতো খাবারের জনপ্রিয়তা ঊর্ধ্বমুখী। সাধারণত সকলেই বেসন বা চালের ধোকলা তৈরি করে। কিন্তু কখনও কখনও চালের ধোকলা হজম করা কঠিন হয়, আবার বেসনের ধোকলা গলায় আটকে যাওয়ার প্রবণতা থাকে। এক্ষেত্রে সকালের ব্রেকফাস্টে মুগ ডাল, চিঁড়ে এবং সুজি দিয়ে তৈরি স্পেশাল ধোকলা ট্রাই করতে পারেন।
কী কী উপকরণ লাগবে?
১ কাপ ধোয়া হলুদ মুগ ডাল (২ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখা)
১/২ কাপ চিঁড়ে (ধুয়ে ৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখা)
১/৪ কাপ সুজি
১/২ কাপ তাজা দই
১ টেবিল চামচ আদা-কাঁচা লঙ্কা বাটা
১ টেবিল চামচ তেল
১/২ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো
১/২ চা চামচ বেকিং সোডা
স্বাদমতো লবণ
টেম্পারিংয়ের জন্য দরকার:
১ টেবিল চামচ তেল
১ চা চামচ সর্ষের দানা
১ টেবিল চামচ সাদা তিল
৮-১০টি কারি পাতা এবং ৩-৪টি কাঁচা লঙ্কা (লম্বা করে কাটা)
১/২ কাপ জল ও ১ চামচ চিনি
সাজানোর জন্য মিহি করে কাটা ধনে পাতা এবং তাজা কোরানো নারকেল
কীভাবে বানাবেন?
মিক্সার জারে ভেজানো মুগ ডাল, ভেজানো চিড়া, সুজি, দই, আদা-কাঁচা লঙ্কার পেস্ট এবং সামান্য জল নিয়ে মিহি করে বেটে নিন। মিশ্রণটি একটি বাটিতে ঢেলে নিন। ব্যাটারের সঙ্গে হলুদ গুঁড়ো, ১ চা চামচ তেল ও লবণ দিয়ে ২-৩ মিনিট ধরে এক দিকে ভালোভাবে ফেটিয়ে নিন। এরপর ৫ মিনিটের জন্য রেখে দিন।
ধোকলার টিন বা প্লেটে তেল মাখিয়ে নিন। ধোকলা স্টিমার বা প্যানে জল ফুটিয়ে নিন। ব্যাটারে ইনোকুলেট বা বেকিং সোডা যোগ করুন, ১ চা চামচ জল দিয়ে আলতো করে মেশান। সঙ্গে সঙ্গে ব্যাটারটি তেল মাখানো একটি প্লেটে ঢেলে দিন এবং ১২-১৫ মিনিটের জন্য বেশি তাপে ভাপিয়ে নিন।
ঠান্ডা হয়ে গেলে ধোকলাগুলো চৌকো করে কেটে নিন। একটি প্যানে তেল গরম করে তাতে সর্ষে, তিল, কারি পাতা এবং কাঁচা লঙ্কা ভেজে নিন। তারপর, আধা কাপ জল ও চিনি দিয়ে ফুটিয়ে নিন এবং এই ফোড়নটি কাটা ধোকলাগুলোর উপর ছড়িয়ে দিন। ধনে পাতা ছড়িয়ে দিন এবং সবুজ চাটনির সঙ্গে পরিবেশন করুন!