গরম ভাতের সঙ্গে কাতলা মাছের হালকা ঝোল হলে আর কিছু লাগে না। Katla Fish Recipe: গরম গরম মাছের ঝোল। বাঙালির জীবনে এর চেয়ে বড় ধ্রুবক সত্যিই কিছু নেই। গরম ভাতের সঙ্গে কাতলা মাছের হালকা ঝোল হলে আর কিছু লাগে না। কলকাতার পুরনো পাইস হোটেলগুলিতে এই পদের আলাদা কদর রয়েছে। ঝোল হয় পাতলা। কিন্তু স্বাদে ভরপুর। আলু, টম্যাটো আর কাঁচালঙ্কার গন্ধে ম ম করে। সবচেয়ে বড় কথা, এটি রান্না করতে খুব বেশি মশলার প্রয়োজন হয় না। সামান্য কয়েকটি উপকরণেই বাড়িতে তৈরি করতে পারেন। একেবারে পাইস হোটেলের মতো স্বাদ পাবেন।
কাতলা মাছের হালকা ঝোল: কী কী লাগবে?
৪ টুকরো কাতলা মাছ, ২টি মাঝারি মাপের আলু, ১টি টম্যাটো, ২টি কাঁচালঙ্কা, আধ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো, আধ চা চামচ জিরে গুঁড়ো, সামান্য কালোজিরে, নুন, সর্ষের তেল এবং ধনেপাতা লাগবে। ঝোলের স্বাদ বাড়াতে চাইলে সামান্য আদা বাটাও ব্যবহার করতে পারেন। তবে খুব বেশি আদা দেবেন না। তাতে আদার গন্ধ 'ওভারপাওয়ারিং' হয়ে যাবে। আদার কাঁচা গন্ধ না কাটা পর্যন্ত অবশ্যই কষাবেন।
কাতলা মাছের পাতলা ঝোল: প্রণালী
প্রথমে মাছের টুকরোগুলি ভাল করে ধুয়ে নিন। নুন ও হলুদ মাখিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এ বার কড়াইয়ে সর্ষের তেল গরম করে মাছগুলি হালকা লাল করে ভেজে তুলে রাখুন। বেশি কড়া করে ভাজবেন না।
একই কড়াইয়ে প্রয়োজনমতো তেল রেখে আলুর টুকরোগুলি দিয়ে ভেজে নিন। আলু হালকা লাল হলে তুলে রাখুন।
এবার ওই তেলেই সামান্য কালোজিরে ফোড়ন দিন। সঙ্গে কাঁচালঙ্কা ও টম্যাটো কুচি দিয়ে নাড়তে থাকুন। টম্যাটো নরম হলে হলুদ, জিরে গুঁড়ো এবং সামান্য আদা বাটা দিয়ে কষিয়ে নিন।
মশলা থেকে তেল ছাড়তে শুরু করলে ভাজা আলু দিয়ে দিন।
এর পর পরিমাণমতো গরম জল ঢেলে দিন।
ঝোল ফুটতে শুরু করলে ভাজা মাছের টুকরোগুলি কড়াইয়ে ছেড়ে দিন। মাঝারি আঁচে ৭-৮ মিনিট রান্না করুন। উপর থেকে ধনেপাতা ছড়িয়ে নামিয়ে নিন।
পাইস হোটেলের সিক্রেট
ঝোল ঘন করবেন না। মশলাও কম ব্যবহার করবেন। পাতলা ঝোলই এই পদের আসল বৈশিষ্ট্য। অতিরিক্ত মশলা বা পেঁয়াজ-রসুন ব্যবহার না করাই ভাল। গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন। সাধারণ দুপুরের খাবারও জমে যাবে।