একই স্বাদের ডাল খেতে খেতে অনেক সময় একঘেয়ে লাগে। Bihari Arhar Dal Recipe: একটু ডাল-ভাত হলেই খাওয়া হয়ে যায়। ভালভাবে ডাল রাঁধলে সঙ্গে একটু লেবু লঙ্কাই যথেষ্ট। ভাজাভুজিও লাগে না। তবে একই স্বাদের ডাল খেতে খেতে অনেক সময় একঘেয়ে লাগে। তাই স্বাদে একটু বদল আনুন। বানিয়ে ফেলুন বিহারি কায়দায় মশলাদার অরহড় ডাল। এই ডালকে অনেকে তোয়ার ডালও বলেন।
বিহারি অরহড় ডালের বিশেষত্ব হল এটি বাঙালিদের ডালের তুলনায় ঘন। বেশ ঝাঁঝালো ফোড়ন। ভাতের সঙ্গে যেমন ভাল লাগে, তেমনই রুটি বা পরোটার সঙ্গেও জমে যায়।
কী কী লাগবে?
এক কাপ অরহড় বা তোয়ার ডাল। সঙ্গে পেঁয়াজ, টম্যাটো, কাঁচালঙ্কা, আদা এবং রসুন। স্বাদ অনুযায়ী নুন, হলুদ এবং লঙ্কাগুঁড়ো দিন।
ফোড়নের জন্য সর্ষের তেল ব্যবহার করাই ভাল। ফোড়নে জিরে, শুকনো লঙ্কা এবং হিং। রান্নার শেষে ধনেপাতা দিলে গন্ধ এবং স্বাদ দুটোই বাড়বে। দেখতেও বেশ লাগে।
কীভাবে বানাবেন
প্রথমে অরহড় ডাল ভাল করে ধুয়ে নিন। তার পর কিছু ক্ষণ জলে ভিজিয়ে রাখতে পারেন। এতে ডাল দ্রুত সেদ্ধ হবে। আগের রাতে ভিজিয়ে রাখলে বেস্ট।
এবার প্রেসার কুকারে ডাল দিয়ে প্রয়োজন মতো জল দিন। সঙ্গে হলুদ এবং সামান্য নুন দিতে পারেন। ডাল ভালভাবে সেদ্ধ করে নিন। ডাল যেন খুব ঘন থাকে। আবার একেবারে বেশি জল দিয়ে পাতলা করেও ফেলবেন না।
ডাল সেদ্ধ হয়ে গেলে অন্য একটি কড়াই বসান। তাতে সর্ষের তেল দিন। তেল গরম হলে জিরে, শুকনো লঙ্কা এবং সামান্য হিং দিয়ে ফোড়ন দিন। ফোড়ন থেকে গন্ধ বেরোতে শুরু করলে মিহি করে কুচিয়ে রাখা পেঁয়াজ দিয়ে দিন।
পেঁয়াজ হালকা বাদামি হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। এর পর আদা-রসুন বাটা এবং কাঁচালঙ্কা দিয়ে কিছু ক্ষণ নাড়ুন। কাঁচা গন্ধ চলে গেলে কুচিয়ে রাখা টম্যাটো দিন। সঙ্গে হলুদ এবং লঙ্কাগুঁড়ো মিশিয়ে ভাল করে কষতে থাকুন।
টম্যাটো নরম হয়ে তেল ছাড়তে শুরু করলে সেদ্ধ ডাল ঢেলে দিন। সব উপকরণ ভাল করে মিশিয়ে নিন। প্রয়োজন হলে সামান্য জল দিন। এবার কম আঁচে কয়েক মিনিট ফুটতে দিন।
ডাল ফুটে ঘন হয়ে এলে আঁচ বন্ধ করে দিন। উপর থেকে কুচোনো ধনেপাতা ছড়িয়ে দিন। ব্যস, বিহারি অরহড় ডাল তৈরি। গরম গরম সাদা ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন। সঙ্গে আমাদের এই বিহারি আলু চোখা(রেসিপি পেতে CLICK HERE) হলে জমে যাবে। চাইলে রুটি, পরোটা কিংবা লুচির সঙ্গেও পরিবেশন করতে পারেন। সঙ্গে একটু কাঁচা পেঁয়াজ, লেবু এবং কাঁচালঙ্কা নিতে ভুলবেন না।