একগাদা টাকা দিয়ে বাইরের আলু ভাজা খাওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। How to make French Fries: বাড়িতে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই বানালেই কি দোকানের মতো মুচমুচে হয়? অনেক সময় দেখা যায়, বাইরে থেকে সোনালি হলেও ভিতরে নরম হওয়ার বদলে আলু তেলতেলে হয়ে যাচ্ছে। আবার কিছু ক্ষণ পরেই ফ্রাই নরম হয়ে যায়। এর পিছনে শুধু ভাজার কৌশল নয়, আলুর ধরন থেকে শুরু করে কাটার মাপ, ধোয়া এবং শুকোনোর পদ্ধতিও গুরুত্বপূর্ণ। কয়েকটি সহজ নিয়ম মেনে চললেই বাড়িতেই দোকানের মতো ফ্রেঞ্চ ফ্রাই বানানো যায়। একগাদা টাকা দিয়ে বাইরের আলু ভাজা খাওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই।
১. কোন আলু বেছে নেবেন?
ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের স্বাদ ও মুচমুচে ভাব অনেকটাই নির্ভর করে আলুর উপর। সাধারণত বেশি স্টার্চ এবং কম জলীয় অংশ রয়েছে, এমন আলু এই পদ তৈরির জন্য ভাল। জ্যোতি আলুর তুলনায় চন্দ্রমুখী আলু অনেক সময় বেশি স্টার্চযুক্ত হতে পারে। তবে আলুর গুণমান ও মরসুম অনুযায়ী পার্থক্য হয়। তাই শক্ত, কম জলযুক্ত আলু বেছে নিন। খুব নতুন বা অতিরিক্ত ভেজা আলু এড়িয়ে চলাই ভাল। পুরনো চন্দ্রমুখী আলু এর জন্য় বেস্ট।
২. সমান মাপে কাটুন, ধুয়ে নিন
আলুর খোসা ছাড়িয়ে লম্বা আকারে কাটুন। সব টুকরোর পুরুত্ব যেন প্রায় সমান হয়। তা না হলে কোনওটি দ্রুত পুড়ে যাবে, কোনওটি আবার ভিতরে কাঁচা থেকে যাবে। কাটার পর ঠান্ডা জলে কয়েক বার ধুয়ে নিন। এতে আলুর গায়ে থাকা অতিরিক্ত স্টার্চ কিছুটা বেরিয়ে যায়। চাইলে ২০-৩০ মিনিট ঠান্ডা জলে ভিজিয়েও রাখতে পারেন।
৩. ভাজার আগে শুকোনো
এই ধাপটি অনেকেই এড়িয়ে যান। কিন্তু আলুর গায়ে জল থাকলে গরম তেলে ছিটে পড়তে পারে। পাশাপাশি ফ্রাই মুচমুচে হতেও সমস্যা হয়। তাই জল ঝরিয়ে পরিষ্কার কাপড় বা রান্নাঘরের টিস্যু দিয়ে প্রতিটি টুকরো ভাল করে মুছে নিন।
৪. কীভাবে ভাজবেন?
কড়াইয়ে ছাঁকা তেল গরম করে মাঝারি আঁচে অল্প অল্প করে আলু ভাজুন। একসঙ্গে বেশি আলু দেবেন না। এতে তেলের তাপমাত্রা কমে যায়। আরও ভাল ফল পেতে দু’বার ভাজার পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন। প্রথমে কম আঁচে আলু সেদ্ধ হওয়ার মতো ভেজে তুলে রাখুন। ঠান্ডা হলে বেশি গরম তেলে আবার ভাজুন। শেষে নুন ও পছন্দের মশলা ছড়িয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।