পেঁয়াজি রেসিপিCrispy Peyaji Recipe: বিকেলের চায়ের সঙ্গে গরম গরম পেঁয়াজি হলে মন্দ হয় না। মুচমুচে পেঁয়াজির স্বাদই আলাদা। কিন্তু বাড়িতে বানাতে গিয়ে অনেক সময় সমস্যা হয়। ভাজার পরেই পেঁয়াজি নরম হয়ে যায়। কখনও আবার ভিতরে কাঁচা থেকে যায়। অথচ কয়েকটি সহজ কৌশল মানলেই বাড়িতে তৈরি করা যায় দোকানের মতো খাস্তা পেঁয়াজি। শুধু উপকরণ নয়, ব্যাটার তৈরি থেকে ভাজার পদ্ধতি; প্রতিটি ধাপেই রয়েছে বিশেষ নজর।
প্রথমে দু’টি বড় পেঁয়াজ পাতলা করে লম্বা লম্বা কুচিয়ে নিন। পেঁয়াজ যত পাতলা হবে, পেঁয়াজি তত ভাল ভাজা হবে। এ বার একটি পাত্রে পেঁয়াজের সঙ্গে নুন, হলুদ, লঙ্কাগুঁড়ো, সামান্য চিনি এবং কাঁচালঙ্কা কুচি মিশিয়ে নিন। কয়েক মিনিট রেখে দিন। এতে পেঁয়াজ থেকে জল বেরোবে। সেই জলেই ব্যাটার তৈরি করা সহজ হবে।
খাস্তা করার আসল কৌশল কী?
পেঁয়াজের সঙ্গে বেসন মেশান। তবে শুধু বেসন দিলেই হবে না। এর সঙ্গে এক থেকে দু’চামচ চালের গুঁড়ো মেশান। চালের গুঁড়ো পেঁয়াজির বাইরের অংশকে মুচমুচে করতে সাহায্য করে। চাইলে সামান্য কর্নফ্লাওয়ারও দিতে পারেন। অল্প বেকিং সোডা ব্যবহার করা যায়, তবে বেশি দিলে স্বাদ নষ্ট হতে পারে।
মনে রাখবেন, ব্যাটারে অতিরিক্ত জল দেবেন না। পেঁয়াজের নিজস্ব জলেই মিশ্রণ তৈরি করার চেষ্টা করুন। ব্যাটার খুব পাতলা হলে পেঁয়াজি তেলে ছড়িয়ে যাবে। আবার বেশি শুকনো হলে ভাল করে বাঁধবে না।
ভাজার সময় কোন ভুল এড়াবেন?
কড়াইয়ে পর্যাপ্ত তেল গরম করুন। তেল খুব ঠান্ডা থাকলে পেঁয়াজি বেশি তেল শুষে নেবে। আবার অতিরিক্ত গরম হলে বাইরে পুড়ে যাবে, ভিতর কাঁচা থাকবে। মাঝারি আঁচে অল্প অল্প করে মিশ্রণ তেলে ছাড়ুন। একসঙ্গে অনেক পেঁয়াজি দেবেন না। দু’পিঠ সোনালি ও খাস্তা হওয়া পর্যন্ত ভাজুন।
ভাজার পর কাগজের উপর না রেখে জালির উপর রাখুন। এতে বাড়তি তেল ঝরে যাবে এবং গরম ভাপ জমে পেঁয়াজি নরম হবে না। ব্যস, তৈরি মুচমুচে পেঁয়াজি। গরম চা ও কাসুন্দির সঙ্গে পরিবেশন করুন।