দোকানের মতো বেগুনি ভাজার সিক্রেটটা জানেন তো?বিজয়া উদযাপন চলছে এখন বাড়িতে বাড়িতে। এদিকে এখন মিষ্টি খেতে চান না অনেকেই। এই অবস্থায় আপনি অতিথিকে নিজের হাতে ভেজে খাওয়াতে পারেন বেগুনি। বাঙালির পরিচিত এবং অন্যতম প্রিয় তেলেভাজা এটি। বিজয়া করতে যাওয়া অতিথিদের এই তেলেভাজা দিলে সবাই খুব আনন্দ করে খাবে।
ঝটপট ও সহজে তৈরি করা যায় বেগুনি। যাঁরা বেগুন খেতে পছন্দ করেন না, তাঁদের জন্য এটি বেগুন খাওয়ার একটি চমৎকার উপায়। সন্ধ্যার জলখাবার হিসেবে পরিবেশনের জন্য একদম উপযুক্ত পদ।
মুড়ি, পোলাও, খিচুড়ি বা গরম ভাতের সঙ্গে এই মুচমুচে বেগুনি খেতে বেশ ভাল লাগে। তবে সব সময় বেগুনি ভাজলেই যে তা মুচমুচে হবে এমনটাও কিন্তু নয়। অনেক সময় তা চুপসে যায়। আবার বেগুনি ঠিকমত ভাজা না হলে অনেক বেশি তেল টেনে নেয়। আর তাই রইল মুচমুচে বেগুনি ভাজার রেসিপি।
বেগুনির জন্য লাগবে: বেগুন, বেসন, চালের গুঁড়ো, গুঁড়ো চিনি, নুন, হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কা গুঁড়ো, সর্ষের তেল।
রন্ধন প্রণালী
বেগুনি বানানোর জন্য সবার আগে একদম সরু সরু করে বেগুনটা কেটে ফেলুন। খেয়াল রাখবেন যাতে একেবারে পাতলা হয় বেগুনের টুকরোগুলি। যত পাতলা কাটা হবে ততই বেগুনি ভাল হবে। এ বার নুন মাখিয়ে নিন টুকরোগুলিতে। একটি বড় চালনিতে ৩ কাপ বেসন, এক কাপ চালের গুঁড়ো, আধ চামচ হলুদ গুঁড়ো, আধ চামচ লঙ্কা গুঁড়ো, স্বাদ মতো নুন এবং দেড় চামচ গুঁড়ো চিনি নিয়ে নিন। এ বার সবটা ভাল করে চেলে নিয়ে একটি পাত্রে রাখুন। খেয়াল রাখবেন যাতে কোনও দলা থেকে না যায়। এ বার তাতে অল্প অল্প করে জল দিয়ে একটা ঘন মিশ্রণ বানিয়ে নিন। মনে রাখবেন, এই ব্যাটার বা মিশ্রণটি যত ভাল ভাবে ফেটাতে পারবেন তত ভাল এবং মুচমুচে হবে বেগুনি। এ বার আগে থেকে নুন মাখানো বেগুনের টুকরোগুলি পরিষ্কার কোনও কাপড় বা টিস্যু পেপার দিয়ে হালকা চেপে অতিরিক্ত জল শুষে নিন। তার পরে বেগুনের টুকরোগুলিকে মিশ্রণে চুবিয়ে নিন ভাল করে। এ বার ওভেনে একটি কড়াইয়ে পর্যাপ্ত সর্ষের তেল দিন যাতে ডুবো তেলে ভাজা যেতে পারে বেগুনি। তেল গরম হলে আঁচ কমিয়ে এক এক করে বেগুনের টুকরো ছেড়ে দিন। দুই পিঠ লাল লাল করে ভেজে তুলে নিলেই তৈরি মুচমুচে বেগুনি। তবে গরম বেগুনি ভেজে ফেলে রাখবেন না। খিচুড়ি বা পোলাওয়ের সঙ্গে তা গরম গরম পরিবেশন করুন। এই বেগুনি খেতে লাগে খুবই ভাল।