সকালের জলখাবার থেকে দুপুরের খাবার সবকিছু দিয়েই খাওয়া যায়।Dhaniya Aloo Recipe: রোজ রোজ আলুর একই তরকারি খেয়ে বোরড্? তাহলে বানিয়ে ফেলতে পারেন ধনে আলু কষা। খুব সহজ এই রান্না। উপকরণও বেশি লাগে না। আলু, ধনে এবং কয়েকটি সাধারণ মশলা থাকলেই হবে(Dry Aloo Recipe)। মধ্যপ্রদেশের রান্না। এই ধনে আলু কষা রুটি, লুচি বা পরোটার সঙ্গে খেতে বেশ ভাল লাগে। শুধু তাই নয়। গরম ভাত, ডাল-ভাত এমনকি মুড়ির সঙ্গেও এই আলু খাওয়া যায়(Easy Potato Recipe)। তাই সকালের জলখাবার থেকে দুপুরের খাবার সবকিছু দিয়েই খাওয়া যায়।
কীভাবে বানাবেন?
প্রথমে চারটি মাঝারি মাপের আলু নিন। ভাল করে ধুয়ে নিন। তার পর আলুগুলি চার খণ্ড করে কেটে সেদ্ধ করে নিন। আলু একেবারে গলে যাওয়ার মতো সেদ্ধ করবেন না। একটু শক্ত থাকলে কষানোর সময় আলুর টুকরোগুলি ভেঙে যাবে না।
এ বার মশলা তৈরির পালা। একটি শুকনো কড়াই গরম করুন। তাতে দিন গোটা জিরে, গোটা ধনে, একটি শুকনো লঙ্কা এবং চার-পাঁচটি মেথি দানা। শুকনো কড়াইতেই মশলাগুলি হালকা ভেজে নিন। বেশি ভাজবেন না। মশলা পুড়ে গেলে রান্নার স্বাদ তেতো হয়ে যেতে পারে।
মশলা থেকে সুন্দর গন্ধ বেরোলে গ্যাস বন্ধ করে দিন। ঠান্ডা হলে মিক্সিতে দিয়ে গুঁড়ো করে নিন। চাইলে শিল নোড়াতেও বেটে নিতে পারেন। মশলা যতটা সম্ভব মিহি হলে আলুর সঙ্গে ভাল ভাবে মিশে যাবে।
এর পর ধনেপাতা এবং কাঁচালঙ্কা খুব মিহি করে কুচিয়ে রাখুন। কাঁচালঙ্কার পরিমাণ নিজের স্বাদ অনুযায়ী কম-বেশি করতে পারেন।
এ বার কড়াইতে সর্ষের তেল দিন। তেল ভাল করে গরম হলে তাতে গোটা সাদা জিরে দিন। সঙ্গে সামান্য হিং দিতে পারেন। জিরে ফোড়ন থেকে গন্ধ বেরোতে শুরু করলে সেদ্ধ আলু কড়াইতে দিয়ে দিন।
আলুর উপর সামান্য হলুদ গুঁড়ো ছড়িয়ে দিন। এর পর আগে থেকে তৈরি করে রাখা ভাজা ধনে-জিরের মশলা দিয়ে দিন। সব কিছু ভাল করে মিশিয়ে নিন। আলু যেন ভেঙে না যায়, সে দিকে খেয়াল রাখবেন।
মশলা কড়াইয়ের তলায় লেগে গেলে সামান্য জলের ছিটে দিতে পারেন। এর পর কম আঁচে আলু ও মশলা ভাল করে কষিয়ে নিন। এই ধাপটিই রান্নার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মশলা আলুর গায়ে ভাল করে মিশে গেলে স্বাদ আরও বাড়বে।
শেষে কুচিয়ে রাখা ধনেপাতা এবং কাঁচালঙ্কা ছড়িয়ে দিন। আরও এক বার ভাল করে নেড়ে গ্যাস বন্ধ করে দিন। ব্যস, তৈরি ধনে আলু কষা।
গরম গরম ধনে আলু কষা পরিবেশন করুন লুচি, রুটি বা পরোটার সঙ্গে। মুড়ির সঙ্গেও খেতে পারেন। দুপুরে ডাল-ভাতের সঙ্গে দিলেও বেশ জমবে।