বাসি রুটি না ফেলে বানিয়ে ফেলুন মুচমুচে পরোটাবাসি রুটি ফেলে দেন? সেটা না করে বানিয়ে ফেলুন মুচমুচে রুটির পকোড়া। রুটি আর সঙ্গে সামান্য কিছু উপকরণ থাকলেই হবে। আলাদা করে আর কিছু লাগবে না। এই উপকরণগুলি বাড়িতেই থাকে। এই পকোড়া এমনই মুখরোচক যে এর সঙ্গে সামান্য সস হলেই খাওয়া হয়ে যায়। ধনেপাতা-পুদিনার চাটনি হলে তো জমে ক্ষীর। তাই আর সময় নষ্ট না করে, আসুন বাসি রুটির পকোড়ার রেসিপি দেখে নেওয়া যাক।
উপকরণ
২-৩টি মাঝারি আকারের সেদ্ধ আলু
গত রাতের বেঁচে যাওয়া রুটি (প্রয়োজন অনুযায়ী)
১ টেবিল চামচ মিহি করে কাটা ধনে পাতা
১ চা চামচ চিলি ফ্লেক্স
আধা চা চামচ লাল মরিচের গুঁড়ো
১ চা চামচ মিহি করে কাটা কাঁচা মরিচ
২ টেবিল চামচ বেসন
এক চিমটি হলুদ গুঁড়ো
স্বাদমতো লবণ
১/৪ চা চামচ আজওয়াইন
আধা চা চামচ জিরা
এক চিমটি বেকিং সোডা
ভাজার জন্য তেল
প্রণালী
১. প্রথমে সেদ্ধ আলুগুলোর খোসা ছাড়িয়ে একটি পাত্রে ভালো করে মেখে নিন। তাতে ধনে পাতা, লবণ, চিলি ফ্লেক্স, লাল লঙ্কা গুঁড়ো এবং মিহি করে কাটা কাঁচা লঙ্কা দিন।
২. সবকিছু ভালোভাবে মিশিয়ে নিন আলুর পুর তৈরি।
৩. এবার, একটি আলাদা বাটিতে বেসন নিন। এতে জিরা গুঁড়া, কালো জিরে, হলুদ গুঁড়া এবং স্বাদমতো নুন দিন।
৪. অল্প অল্প করে জল দিয়ে একটি ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। খেয়াল রাখবেন মিশ্রণটি যেন খুব পাতলা বা খুব ঘন না হয়। অনেকটা পেঁয়াজির মতো হবে।
৫. ইচ্ছে হলে এতে এক চিমটি বেকিং সোডা মিশিয়ে নিতে পারেন। এ
৬. এরপর, বাকি রুটিগুলো নিয়ে সেগুলোর উপর আলুর পুর সমানভাবে ছড়িয়ে দিন। তারপর, ছুরি বা কাটার দিয়ে রুটিগুলো চার থেকে ছয় টুকরো করে কেটে নিন। আপনি চাইলে রুটিগুলো অর্ধেক ভাঁজ করে তার ভেতরেও পুর ভরে নিতে পারেন।
৭. একটি প্যানে তেল গরম করুন। রুটির টুকরোগুলো বেসনের ব্যাটারে ভালোভাবে ডুবিয়ে সাবধানে গরম তেলে দিন। মাঝারি আঁচে মাঝে মাঝে উল্টে দিয়ে সোনালি ও মুচমুচে হওয়া পর্যন্ত ভাজুন।
৮. ধনে পাতার চাটনি বা টমেটো সসের সাথে গরম গরম পরিবেশন করুন।