Egg Freshness Test: গরমে দ্রুত পচে ডিম, রান্নার আগে এভাবে যাচাই করুন তাজা কি না

Egg Freshness Test: বাজার থেকে কেনা ডিমের মেয়াদ নিয়ে অনেকেই প্রায়শই বিভ্রান্ত হন। ডিমগুলো খাওয়ার জন্য নিরাপদ বা উপযুক্ত কিনা, তা নিয়ে তারা দ্বিধায় থাকেন।

Advertisement
 গরমে দ্রুত পচে ডিম, রান্নার আগে এভাবে যাচাই করুন তাজা কি না মাত্র ২ মিনিটেই বুঝবেন ডিম তাজা না পচা

Egg Freshness Test: আজকাল স্বাস্থ্য সচেতন মানুষদের মধ্যে স্বাস্থ্য ভালো রাখার একটি প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে, মানুষ তাদের খাদ্যাভ্যাসের দিকে বিশেষ মনোযোগ দিচ্ছে। প্রোটিনের ঘাটতি পূরণের জন্য, মানুষ তাদের খাদ্যতালিকায় ডিম অন্তর্ভুক্ত করছে। প্রায়শই, যারা প্রতিদিন ডিম খান, তারা সঙ্গে ডিমের একটি ট্রে রাখেন যাতে তাদের প্রতিদিন ডিম কিনতে না হয়। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে, সেই ডিমগুলো নষ্ট হয়ে গেছে কি না, তা খুঁজে বের করা কখনও কখনও কঠিন হয়ে পড়ে। ভুল করে একটি নষ্ট ডিম খেয়ে ফেললে তা পেটের সমস্যার কারণ হতে পারে। এমন একটি খুব সহজ ঘরোয়া পরীক্ষা আছে যা ২ মিনিটের মধ্যে বলে দেবে ডিমটি তাজা না বাসি। আসুন সেই পরীক্ষাটি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

ফ্লোট টেস্ট কীভাবে করতে হয়?
ডিমের সতেজতা পরীক্ষা করার জন্য, আপনি ফ্লোট টেস্ট করতে পারেন। ডিমটি  এক বাটি জলে রাখুন। যদি এটি সঙ্গে সঙ্গে ডুবে গিয়ে তলায় থিতিয়ে পড়ে, তবে এটি একদম তাজা। যদি এটি সামান্য হেলে গিয়ে মাঝখানে থেমে যায়, তবে এটি কয়েক সপ্তাহ পুরনো কিন্তু খাওয়ার জন্য এখনও নিরাপদ। তবে, যদি ডিমটি জলের উপর ভেসে ওঠে, তবে এটি পুরনো এবং নষ্ট হয়ে গেছে। এই পরীক্ষাটি কাজ করে কারণ পুরনো ডিমের ভেতরে বাতাস ভরা থাকে, যা সেগুলোকে হালকা করে তোলে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ডিম কেনার তিন থেকে পাঁচ সপ্তাহ পরেও খাওয়া নিরাপদ, এমনকি বিক্রয়ের শেষ তারিখ পেরিয়ে যাওয়ার পরেও। তবে ডিমের গন্ধ, কুসুমের রং বা খোসার আঠালো ভাব পরীক্ষা করে নিতে ভুলবেন না।

ডিম কতদিন পর্যন্ত নিরাপদ থাকে?
সাধারণত, ডিম কেনার পর ফ্রিজে ৩ থেকে ৫ সপ্তাহ পর্যন্ত ভালো থাকে। বিক্রির শেষ তারিখটি শুধুমাত্র দোকানের জন্য প্রযোজ্য, এক্সপায়ারি ডেট নয়। সঠিকভাবে সংরক্ষণ করলে এর পরেও কোনও সমস্যা হওয়ার কথা নয়। গ্রীষ্মকালে, খাওয়ার আগে ডিম পরীক্ষা করে নিন, কারণ গরমে সেগুলো দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

Advertisement

কীভাবে পচা ডিম চিনবেন?
ফ্লোট টেস্ট ছাড়াও আরও কয়েকটি বিষয় মনে রাখবেন। ডিম ভাঙার সময় যদি তীব্র গন্ধ পান, তবে সঙ্গে সঙ্গে সেটি ফেলে দিন। কুসুম যদি গোলাপি, সবুজ বা কালো দেখায়, তবে ডিমটি নষ্ট হয়ে গেছে। খোসা যদি আঠালো হয় বা তাতে বড় ধরনের ফাটল থাকে, তবে সতর্কতা অবলম্বন করুন এবং সেটি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। অনেক ক্ষেত্রে, যে ডিমগুলো বাইরে থেকে দেখতে ভালো মনে হয়, সেগুলোও ভেতর থেকে নষ্ট হয়ে যেতে পারে, তাই একই সঙ্গে দুটি পদ্ধতিই ব্যবহার করুন।

POST A COMMENT
Advertisement