এভাবে থোড় ভেজে দেখুনকলার থোড় জনপ্রিয় খাবার। কলার এই অংশকে থোড়া ছাড়াও ভাড়াল বা ভাদাল বলেও চেনেন অনেকেই। এরমধ্যে প্রচুর পরিমাণ খনিজ, ভিটামিন থাকে। দিন দিন এর কদর বাড়ছে। প্রক্রিয়াজাত খাবারের কারণে অনেকেই এই পুষ্টিকর খাবার ফেলে দিতেন। বর্তমান সময়ে কলার থোড়ের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। স্বাস্থ্যসচেতনরা এখন এই খাবার বেশি খাচ্ছেন।
থোড়ের উপকারিতা
কলার থোড় অ্যানিমিয়া বা রক্ত স্বল্পতা দূর করে, প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে, যা রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। এতে রয়েছে উচ্চমাত্রার ফাইবার বা আঁশ, যা রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যেতে দেয় না। ফলে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি একটি আদর্শ সবজি। থোড়ের রস কিডনির পাথর প্রতিরোধে এবং লিভার সুস্থ রাখতেও ভূমিকা রাখে। ক্যালোরির পরিমাণ খুবই কম কিন্তু পেট অনেকক্ষণ ভরিয়ে রাখে এই খাবার, যা ওজন কমানোর জন্য সহায়ক। এতে থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং হৃদযন্ত্র ভালো রাখে।
নতুন রেসিপি
অনেক সময়ই আমাদের রান্না করতে ইচ্ছে করে না। এমন দিনে গরম ভাতের সঙ্গে কলার থোড় ভাজা দিয়ে উদর পূর্তি করুন। স্বাদে অনন্য এই খাবারের রেসিপি জেনে নিন।
উপকরণ
কলার থোড়কুচি চার কাপ, ডিম দুটি, পেঁয়াজকুচি আধা কাপ, কাঁচা লঙ্কা পাঁচ-ছয়টা, কালোজিরে এক চা-চামচ, শুকনো লঙ্কা দুটি, হলুদগুঁড়ো, লঙ্কাগুঁড়ো, ধনেগুঁড়া আধা চা-চামচ করে, নুন ও চিনি স্বাদমতো, সয়াবিন তেল আধা কাপ এবং ঘি দুই টেবিল চামচ।
প্রণালী
কলার থোড়ের মোটা খোসা ফেলে কাটার সময় সুতার মতো অংশ আঙুল দিয়ে জড়িয়ে ফেলে দিতে হবে। পরে আলুভাজার মতো কেটে নিন। কড়াইতে সয়াবিন তেল গরম হলে শুকনা লঙ্কা ও কালোজিরের ফোড়ন দিন। পরে ডিম দিয়ে ঝুরি করে ভেজে নিন। তারপর থোড়কুচি, পেঁয়াজকুচি, আদা-রসুনবাটা, হলুদগুঁড়ো, লঙ্কাগুঁড়ো, ধনেগুঁড়ো, নুন-চিনি দিয়ে ঢাকনা দিয়ে রান্না করুন। পরে কাঁচা লঙ্কা, চিনি, ঘি দিয়ে নেড়েচেড়ে নুন দেখে নামিয়ে নিন। তৈরি হয়ে গেল কলার থোড় ভাজা।