জন্মাষ্টমীর ভোগের রেসিপিশুক্রবার ৪ সেপ্টেম্বর জন্মাষ্টমী। ভক্তিভরে শ্রীকৃষ্ণের পুজো করেন ভক্তরা। ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে জন্মেছিলেন বিষ্ণুর অষ্টম অবতার শ্রীকৃষ্ণ। তাঁর শৈশব কেটেছিল বৃন্দাবনে। কানাইয়ের ছোটবেলার নানা লীলার মধ্যে অন্যতম মাখনচুরি। গোপালের সবচেয়ে প্রিয় দু’টি ভোগ। জন্মাষ্টমীতে গোপালকে অর্পণ করে তুষ্ট করুন। কী কী? একটি হল সাদা মাখন। অন্যটি হল চালের গুঁড়োর মালপোয়া। এই দুই পদের রেসিপি জেনে নিন।
বাড়িতে কীভাবে তৈরি করবেন সাদা মাখন?
বৃন্দাবনের মতো টাটকা সাদা মাখন তৈরি করতে খুব বেশি উপকরণের প্রয়োজন নেই। লাগবে টাটকা গরুর দুধ ও ঠান্ডা জল।প্রথমে টাটকা দুধ ভাল করে ফুটিয়ে ঠান্ডা করে নিন। দুধ ঠান্ডা হলে তার উপরে সর পড়বে। সেই সর তুলে একটি পাত্রে জমিয়ে রাখুন। এবার জমিয়ে রাখা সর মিক্সারে দিন। সেক্ষেত্রে সরের সঙ্গে অল্প ঠান্ডা জল দিয়ে দু’-তিন মিনিট মিক্সারে চালিয়ে নিন। ধীরে ধীরে মাখন এবং ছাছ আলাদা হয়ে যাবে। মাখন তুলে নিন। মাখন হবে নরম ও টাটকা।
উপকরণ: দেশি ঘি ও বরফ
এছাড়া দেশি ঘি নিয়েও বানাতে পারেন সাদা মাখন। একটি পাত্রে কয়েকটি বরফের টুকরো ও দেশি ঘি দিন। ডাল কাটা নিয়ে নাড়াতে থাকুন। রেডি সাদা মাখন। এবার সরিয়ে ফেলুন।
কীভাবে বানাবেন মালপোয়া?
উপকরণ: ১ কাপ চালের গুঁড়ো
১ কাপ হালকা গরম দুধ
আধ কাপ চিনি
আধ চা চামচ এলাচ গুঁড়ো
আধ চা চামচ মৌরি
ভাজার জন্য ঘি
১ কাপ চিনি
আধ কাপ জল
প্রথমে একটি পাত্রে চালের গুঁড়ো এবং দুধ দিয়ে ঘন গোলা তৈরি করুন। এর মধ্যে চিনি, এলাচ গুঁড়ো এবং মৌরি দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। অন্য একটি পাত্রে চিনি ও জল দিয়ে রস তৈরি করুন। চাইলে এর মধ্যে সামান্য জাফরানও দিতে পারেন।
এবার কড়াইয়ে ঘি গরম করুন। তৈরি করা গোলা থেকে এক বাটি পরিমাণ নিয়ে গরম ঘিয়ের মধ্যে ঢেলে দিন। কম আঁচে মালপোয়াটি দু’দিক থেকে ভাল করে সোনালি করে ভেজে নিন।
ভাজা মালপোয়া সঙ্গে সঙ্গে তৈরি করা চিনির রসে দিয়ে দিন। এক-দু’মিনিট রসে ডুবিয়ে রাখুন। এরপর রস থেকে তুলে প্লেটে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।