কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় দেবীকে খিচুড়ি নিবেদন করবেন?কোজাগরী পূর্ণিমার রাতে ভোগের খিচুড়ির না হলে কি বাঙালির পুজোর আমেজ এক্কেবারে জমে? বাঙালির এমনিতেই বারো মাসে তেরো পার্বণ। সেই পার্বণ যদি পুজোর সঙ্গে জুড়ে যায়, তার মানে পাতে পড়বেই গরম গরম খিচুড়ি। রবিবার কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো। তাই এদিন খিচুড়ি রান্না না করলে কি চলে? ভোগের খিচুড়ির যেন এক আলাদা স্বাদ! শত বার বাড়িতে বানালেও আসে না। তবে এ বার আসবে ঠিক। এবার লক্ষ্মীপুজোয় এই পদ্ধতিতে খিচুড়ি বানিয়ে দেখুন, স্বাদ মুখে লেগে থাকবে। বানাতে সময়ও লাগবে কম।
একপাকে তৈরি খিচুড়ি আর পায়েস লক্ষ্মীপুজোর ভোগে থাকলে পরিবারের কল্যাণ হয়। কী ভাবে বানাবেন এই একপাকে খিচুড়ি? চলুন জেনে নেওয়া যাক-
উপকরণ
গোবিন্দভোগ চাল
সোনামুগের ডাল
ফুলকপি
মিষ্টিআলু
মটরশুঁটি
আদা বাটা
হলুদ-জিরে-লঙ্কাগুঁড়ো
গোটা শুকনো লঙ্কা
গরমমশলা গুঁড়ো
পাঁচফোড়ন
নুন
মিষ্টি
ঘি
যে ভাবে বানাবেন
শুকনো খোলায় সোনা মুগডাল ভেজে নিন। চাল ভাল করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে রাখুন। আলু, ফুলকপি এসব ডুমো ডুমো করে কেটে নুন হলুদ মাখিয়ে ভেজে নিন। হাঁড়িতে ঘি আর সাদা তেল দিয়ে পাঁচফোড়ন, তেজপাতা, শুকনো লঙ্কা আর আদা দিয়ে নেড়ে নিয়ে চাল ডাল দিয়ে কষিয়ে নিন। এরপর হলুদ, জিরে আর লঙ্কাগুঁড়ো দিয়ে কষতে থাকুন। পরিমাণ মতো গরম জল, সবজি দিয়ে হাঁড়ির মুখ চাপা দিন। ডাল, ডাল সিদ্ধ হয়ে নরম হলে নামানোর আগে ঘি. গরম মশলা, কাজু-কিশমিশ ছড়িয়ে দিন। মনে রাখবেন চাল-ডালের পরিমাণের প্রায় ৪ থেকে ৫ গুণ উষ্ণ গরম জল দিতে হবে। ঢাকা দিয়ে মাঝারি আঁচে চাল ও ডাল সেদ্ধ হতে দেবেন। মাঝে মাঝে নাড়বেন যাতে নিচে না লেগে যায়। ভোগের খিচুড়ি তৈরি হয়ে গেলে আপনি দেবীকে এই ভোগ নিবেদন করতে পারেন।