
Kolkata Style Fish Fry: স্ট্রিট ফুড বা ঘরোয়া আড্ডার প্রসঙ্গ উঠলেই যে খাবারটির নাম সবার আগে আসে, তা হলো ফিশ ফ্রাই। অফিস শেষে ক্লান্তি কাটাতে বা সন্ধ্যার আড্ডায় চায়ের সঙ্গে এই মুচমুচে পদটির জনপ্রিয়তা আলাদা করে বলার নয়। বাইরে রেস্তোরাঁয় যেমন স্বাদ পাওয়া যায়, তেমন ফিশ ফ্রাই ঘরেই সহজে বানানো সম্ভব।
ঘরে তৈরি ফিশ ফ্রাইয়ের জন্য ভেটকি মাছের ফিলে সবচেয়ে উপযোগী। সঠিক ম্যারিনেশন আর কোটিংয়ের মাধ্যমেই ফিশ ফ্রাইয়ের আসল খাস্তা ভাব আসে। একটু সময় নিয়ে প্রস্তুতি নিলেই রেস্তোরাঁ স্টাইলের স্বাদ পাওয়া যায় বাড়িতে।
এই রেসিপির জন্য প্রয়োজন হবে ৬ থেকে ৮টি ভেটকি মাছের ফিলে। সঙ্গে লাগবে লেবুর রস, আদা-রসুন ও কাঁচালঙ্কা বাটা, ধনেপাতা ও পুদিনাপাতা বাটা, গোলমরিচ গুঁড়ো, ২টি ডিম, বিস্কুটের গুঁড়ো বা ব্রেডক্রাম্বস এবং ভাজার জন্য সাদা তেল।
প্রথম ধাপে মাছের ফিলেগুলো ভালো করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে নিতে হবে। এরপর লেবুর রস, নুন ও গোলমরিচ গুঁড়ো মাখিয়ে ১৫ মিনিট রেখে দিতে হবে। এই ধাপটি মাছের কাঁচা গন্ধ দূর করার জন্য জরুরি।
এরপর দ্বিতীয় ম্যারিনেশনের পালা। ম্যারিনেট করা মাছের ওপর আদা-রসুন-লঙ্কা বাটা এবং ধনে-পুদিনা পাতার মিশ্রণ ভালো করে মাখাতে হবে। তারপর ঢেকে অন্তত এক ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিতে হবে, যাতে মশলার স্বাদ ভালোভাবে মাছের ভেতরে ঢুকে যায়।
ভাজার আগে কোটিং খুব গুরুত্বপূর্ণ। ম্যারিনেট করা ফিলেগুলো প্রথমে বিস্কুটের গুঁড়োয় মাখাতে হবে। তারপর ফেটানো ডিমে ডুবিয়ে আবার বিস্কুটের গুঁড়োয় কোট করতে হবে। এই ডবল কোটিং ফিশ ফ্রাইকে বাইরে থেকে বেশি খাস্তা করে তোলে।
কড়াইতে ডুবো তেল ভালোভাবে গরম করে মাঝারি আঁচে একে একে মাছগুলো ভেজে নিতে হবে। বেশি আঁচে ভাজলে বাইরের অংশ দ্রুত রঙ বদলালেও ভেতর কাঁচা থেকে যেতে পারে, তাই আঁচ নিয়ন্ত্রণ জরুরি।
সোনালি রঙ ধরলেই ফিশ ফ্রাই তুলে নিন। গরম গরম ফিশ ফ্রাই কাসুন্দি, পেঁয়াজ কুচি ও সামান্য বিট নুন ছড়িয়ে পরিবেশন করুন। বাড়ির আড্ডা হোক বা উইকেন্ডের সন্ধ্যা—এই ফিশ ফ্রাই যে কোনও দিনকেই জমিয়ে তুলবে।