গরম ভাতের সঙ্গে একবার খেলে বার বার বানাবেনMasoor Dal Recipe: রোজকার দুপুরের খাওয়ায় ডাল না হলে ঠিক জমে না। ভাতের সঙ্গে একটু ডাল, আলুভাজা কিংবা কোনও তরকারি থাকলেই জমে যায়। তবে প্রতিদিন একই ভাবে মসুর ডাল রান্না করতে করতে একঘেয়ে লাগতে পারে। তাই স্বাদে একটু বদল আনতে পারেন খুব সহজ একটি উপায়ে।
মসুর ডালে দিন এই স্পেশাল ফোড়ন। উপকরণ খুব সাধারণ। রান্নার ঝামেলাও কম। কিন্তু ফোড়নের গন্ধে ডালের স্বাদ একেবারে বদলে যাবে। গরম ভাতের সঙ্গে এই ডাল খেতে দারুণ লাগে। দুপুরের ব্যস্ত দিনে কম সময়ে রান্না করতে চাইলে এই রেসিপি বেশ কাজে আসতে পারে।
কী কী লাগবে?
এই ডাল বানাতে লাগবে মসুর ডাল, টম্যাটো, পেঁয়াজ, কারিপাতা এবং সর্ষে। সঙ্গে থাকবে কাঁচালঙ্কা, হলুদ, নুন এবং সামান্য শুকনো লঙ্কা। ফোড়নের জন্য সর্ষের তেল ব্যবহার করলে স্বাদ ভাল হবে। চাইলে সামান্য সাদা তেলও ব্যবহার করতে পারেন।
প্রথমে মসুর ডাল ভাল করে ধুয়ে নিন। এক রাত ডাল ভিজিয়ে রাখলে ভাল। তার পর প্রয়োজনমতো জল দিয়ে ডাল সেদ্ধ করে নিন। ডাল খুব বেশি ঘন করবেন না। আবার একেবারে পাতলাও করবেন না। মাঝারি ঘন হলে খেতে ভাল লাগবে।
কীভাবে রান্না করবেন?
কড়াইয়ে সামান্য সর্ষের তেল গরম করুন। তেল গরম হলে তাতে সর্ষে দিন। সর্ষে ফুটতে শুরু করলে শুকনো লঙ্কা এবং কারিপাতা দিয়ে দিন। কারিপাতা পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই সুন্দর গন্ধ বেরোবে।
এর পর কুচিয়ে রাখা পেঁয়াজ দিয়ে দিন। পেঁয়াজ হালকা সোনালি হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। এ বার কাঁচালঙ্কা এবং টুকরো করে কাটা টম্যাটো দিয়ে দিন। সামান্য নুন দিয়ে ভাল করে নাড়ুন।
টম্যাটো নরম হয়ে তেল ছাড়তে শুরু করলে অল্প হলুদ দিতে পারেন। কয়েক মিনিট রান্না করুন। এর পর আগে থেকে সেদ্ধ করে রাখা মসুর ডাল কড়াইয়ে ঢেলে দিন।
সব কিছু ভাল করে মিশিয়ে নিন। প্রয়োজন হলে সামান্য গরম জল দিতে পারেন। এ বার কয়েক মিনিট ফুটতে দিন। ডালের সঙ্গে টম্যাটো, পেঁয়াজ এবং ফোড়নের স্বাদ মিশে যাবে।
শেষে উপর থেকে আরও কয়েকটি কারিপাতা ছড়িয়ে দিতে পারেন। গ্যাস বন্ধ করে কয়েক মিনিট ঢেকে রাখুন। এতে ফোড়নের গন্ধ ডালের মধ্যে আরও ভাল ভাবে মিশবে।
গরম ভাতের সঙ্গে জমবে এই ডাল
এই মসুর ডালের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল এর ফোড়ন। সর্ষের ঝাঁঝের সঙ্গে কারিপাতার গন্ধ এবং টম্যাটোর হালকা টক স্বাদ ডালকে অন্য রকম করে তোলে। পেঁয়াজ রান্নায় মিষ্টি স্বাদও যোগ করে।
গরম ভাতের সঙ্গে এই ডাল পরিবেশন করুন। পাশে আলুভাজা, বেগুনভাজা বা পটলভাজা থাকলে দুপুরের খাবার একেবারে জমে যাবে। চাইলে ডালের উপর এক চামচ ঘি দিয়েও পরিবেশন করতে পারেন।
খুব বেশি উপকরণ ছাড়াই রোজকার মসুর ডালকে একটু অন্য রকম করতে চাইলে এই রেসিপিটি এক বার অবশ্যই চেষ্টা করে দেখতে পারেন।