Moong Potol Recipe: পটল অপছন্দ? এভাবে মুগ পটল বানিয়ে দেখুন, ২ থালা ভাত খাবেন

Moong Potol Recipe: পটল দিয়ে কত রকম রান্নাই তো হয়। পটল ভাজা, আলু-পটলের তরকারি, সর্ষে পটল, দই পটল; বাঙালির হেঁশেলে তালিকা বেশ লম্বা। কিন্তু একই ধরনের রান্না খেতে খেতে অনেক সময় একঘেয়েমি আসে। তখন পটল দিয়ে একটু অন্য রকম কিছু বানাতে পারেন।

Advertisement
পটল অপছন্দ? এভাবে মুগ পটল বানিয়ে দেখুন, ২ থালা ভাত খাবেনপটল দিয়ে একটু অন্য রকম কিছু বানাতে পারেন।
হাইলাইটস
  • পটল দিয়ে কত রকম রান্নাই তো হয়।
  • পটল ভাজা, আলু-পটলের তরকারি, সর্ষে পটল, দই পটল; বাঙালির হেঁশেলে তালিকা বেশ লম্বা।
  • গরম ভাতের সঙ্গে মুগ-পটল হলে আর কী চাই।

Moong Potol Recipe: পটল দিয়ে কত রকম রান্নাই তো হয়। পটল ভাজা, আলু-পটলের তরকারি, সর্ষে পটল, দই পটল; বাঙালির হেঁশেলে তালিকা বেশ লম্বা। কিন্তু একই ধরনের রান্না খেতে খেতে অনেক সময় একঘেয়েমি আসে। তখন পটল দিয়ে একটু অন্য রকম কিছু বানাতে পারেন। নাম মুগ-পটল। নিরামিষ পদ। খুবই সহজ রেসিপি। গরম ভাতের সঙ্গে মুগ-পটল হলে আর কী চাই। রুটি বা পরোটার সঙ্গেও খেতে পারেন।

মুগ-পটল বানাতে কী কী লাগবে?
প্রায় ৫০০ গ্রাম পটল লাগবে। সঙ্গে ২টি মাঝারি আলু এবং আধ কাপ মুগ ডাল নিন। পটলের সঙ্গে আলু দিলে রান্না আরও জমে যায়।

মশলার জন্য লাগবে টম্যাটো, আদা, হলুদ, লঙ্কাগুঁড়ো, জিরেগুঁড়ো এবং সামান্য কাশ্মীরি লঙ্কাগুঁড়ো। ফোড়নে ব্যবহার করতে পারেন শুকনো লঙ্কা, তেজপাতা, এলাচ, দারচিনি এবং গোটা জিরে। স্বাদ অনুযায়ী নুন ও সামান্য চিনি দিন। সব শেষে এক চামচ ঘি এবং গরমমশলা দিলে স্বাদ আরও বাড়বে।

প্রথমে পটল ও আলু ভেজে নিন
প্রথমে পটলের খোসা ভাল করে ধুয়ে নিন। চাইলে পুরো খোসা না ছাড়িয়ে অল্প অল্প করে ছাড়াতে পারেন। দু’দিকে সামান্য অংশ কেটে নিন। এর পর পটল ও আলু ডুমো করে কাটুন।

পটল এবং আলুতে সামান্য নুন ও হলুদ মাখিয়ে নিন। কড়াইয়ে সর্ষের তেল গরম করুন। তেলে আলু ও পটল দিয়ে হালকা করে ভেজে নিন। একেবারে নরম করে ফেলবেন না। হালকা বাদামি রং হলেই তুলে রাখুন। এই ভাবে ভেজে নিলে পরে রান্নার সময় পটল ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা কমে।

এবার মুগ ডাল শুকনো কড়াইয়ে অল্প আঁচে হালকা করে ভেজে নিন। ডাল থেকে সুন্দর গন্ধ বেরোতে শুরু করলেই নামিয়ে নিন। খুব বেশি ভাজার দরকার নেই।

এর পর ডাল কয়েক বার জল দিয়ে ধুয়ে নিন। চাইলে ১০-১৫ মিনিট ভিজিয়েও রাখতে পারেন। এতে ডাল রান্না হতে সময় কম লাগে।

একই কড়াইয়ে প্রয়োজনমতো সর্ষের তেল দিন। তেল গরম হলে শুকনো লঙ্কা, তেজপাতা, এলাচ এবং দারচিনি দিয়ে ফোড়ন দিন। তার পর গোটা জিরে দিয়ে কয়েক সেকেন্ড নাড়ুন।

Advertisement

এ বার গ্রেট করা বা বাটা আদা দিন। আদার কাঁচা গন্ধ চলে গেলে কেটে রাখা টম্যাটো দিয়ে দিন। সামান্য নুন দিলে টম্যাটো দ্রুত নরম হবে।

টম্যাটো নরম হয়ে গেলে হলুদ, লঙ্কাগুঁড়ো, জিরেগুঁড়ো এবং কাশ্মীরি লঙ্কাগুঁড়ো দিন। অল্প জল দিয়ে মশলাগুলি ভাল করে কষিয়ে নিন। মশলা থেকে তেল ছাড়তে শুরু করলে বুঝবেন কষানো হয়ে গিয়েছে।

মশলার মধ্যে ধুয়ে রাখা মুগ ডাল দিয়ে দিন। ৪-৫ মিনিট ভাল করে কষান। এই সময় ডাল থেকে সুন্দর গন্ধ বেরোবে।

এ বার গরম জল দিন। খুব বেশি জল দেবেন না। মুগ-পটল খুব পাতলা ঝোলের মতো না করে মাখা মাখা রাখলেই খেতে বেশি ভাল লাগে। স্বাদ অনুযায়ী নুন ও সামান্য চিনি দিয়ে দিন।

কড়াই ঢেকে কম আঁচে রান্না করুন। ডাল যখন প্রায় অর্ধেক সেদ্ধ হয়ে যাবে, তখন ভেজে রাখা আলু ও পটল দিয়ে দিন।

আবার ঢাকনা দিয়ে রান্না করুন। ডাল যেন একেবারে গলে না যায়, সে দিকে খেয়াল রাখুন। পটল ও আলুও নরম হয়ে গেলে আঁচ বন্ধ করার আগে গরমমশলা দিয়ে দিন। 

আঁচ বন্ধ করার আগে এক চামচ ঘি দিয়ে দিন। ঘি মিশিয়ে এক বার ভাল করে নাড়ুন। তার পর কড়াই ঢেকে ২-৩ মিনিট রেখে দিন। ঘি ও গরমমশলার গন্ধ পুরো রান্নায় মিশে যাবে।

এ বার গরম গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন মুগ-পটল। চাইলে রুটি বা পরোটার সঙ্গেও খেতে পারেন।   

POST A COMMENT
Advertisement