Chole Bhature: ময়দা ছাড়া, নামমাত্র তেলে তৈরি হবে রেস্তরাঁর মতো মুচমুচে ভটুরে! সহজ টোটকা

Chole Bhature Recipe: ময়দা, অতিরিক্ত তেল আর প্রচুর ক্যালোরি থাকার কারণে স্বাস্থ্য সচেতন মানুষেরা এই খাবারটি থেকে দূরেই থাকেন। আর যদি বা খান, খাওয়ার পর প্রবল অপরাধবোধে ভোগেন।

Advertisement
ময়দা ছাড়া, নামমাত্র তেলে তৈরি হবে রেস্তরাঁর মতো মুচমুচে ভটুরে! সহজ টোটকাছোলে ভটুরে

ছোলে ভটুরে নামটা শুনলেই জিভে জল আসে অনেকের। ছুটির দিন হোক, বাইরে খেতে যাওয়ার প্ল্যান বা কোনও ঘরোয়া পার্টি— মেনুতে ছোলে ভটুরে থাকলে আর কিছুই যেন লাগে না। আট থেকে আশি, প্রায় সকলেরই পছন্দের খাবার এটি। কিন্তু, স্বাদের দিক থেকে এটি যতটাই লোভনীয়, স্বাস্থ্যের নিরিখে ততটাই চিন্তার। ময়দা, অতিরিক্ত তেল আর প্রচুর ক্যালোরি থাকার কারণে স্বাস্থ্য সচেতন মানুষেরা এই খাবারটি থেকে দূরেই থাকেন। আর যদি বা খান, খাওয়ার পর প্রবল অপরাধবোধে ভোগেন।

আপনার সঙ্গেও কি এমনটা হয়? তা হলে প্রিয় খাবার থেকে মুখ ফিরিয়ে থাকার আর কোনও প্রয়োজন নেই। রান্নার পদ্ধতিতে সামান্য কয়েকটি রদবদল করলেই আপনার প্রিয় ছোলে ভটুরে হয়ে উঠতে পারে স্বাস্থ্যকর। আর মজার বিষয় হল, এতে স্বাদের কোনও রকম আপস করতে হবে না। প্রতিটি কামড়েই মিলবে আগের মতো সেই দারুণ স্বাদ। জেনে নিন, কোন কোন উপায়ে ছোলে ভটুরেকে স্বাস্থ্যকর করে তুলবেন।

স্বাস্থ্যকর ছোলে ভটুরে তৈরির সহজ উপায়

১. ভটুরের আটা বদলান

বাজার থেকে কেনা বা বাড়িতে তৈরি ভটুরে সাধারণত পুরোপুরি ময়দা দিয়েই তৈরি হয়। এটিকে স্বাস্থ্যকর করতে ময়দার পরিবর্তে গমের আটা ব্যবহার করতে পারেন। আটার সঙ্গে সামান্য সুজি মিশিয়ে মাখলে ভটুরে হবে মুচমুচে। এতে ফাইবারের পরিমাণও বাড়বে, আর অনেকক্ষণ পেট ভরাও থাকবে।

২. ছাঁকা তেলের বদলে বিকল্প পদ্ধতি

ভটুরে খেতে মন চাইছে, অথচ তেলের কারণে পিছিয়ে আসছেন? সে ক্ষেত্রে কম তেলে ভাজার চেষ্টা করতে পারেন। এখন অনেকেই স্বাস্থ্যরক্ষায় এয়ার ফ্রায়ার ব্যবহার করেন। এয়ার ফ্রায়ারে ভটুরে তৈরি করলে তেলের পরিমাণ অনেকটাই কমে যায়, আর খাবারও বেশ হালকা হয়।

৩. ছোলে রান্নায় তেল কমান

ছোলে রান্নার সময় অতিরিক্ত তেল দেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। নামমাত্র তেলে পেঁয়াজ, টমেটো এবং মশলা ভাল করে কষিয়ে নিন। এতে স্বাদও খোলতাই হবে, আবার শরীরে বাড়তি ফ্যাটও জমবে না।

Advertisement

৪. প্রোটিন ও ফাইবার- সমৃদ্ধ ছোলে

কাবলি ছোলা এমনিতেই প্রোটিন এবং ফাইবারের চমৎকার উৎস। তাই ছোলে বানানোর সময় অতিরিক্ত মাখন বা ক্রিম ব্যবহার না করে, সাধারণ মশলাপাতি দিয়ে রান্না করুন। এতে খাবারের পুষ্টিগুণ বজায় থাকে।

পাতে থাক স্যালাড এবং টক দই

ছোলে ভটুরের সঙ্গে পেঁয়াজ, শসা, গাজর, লেবু এবং এক বাটি টক দই অবশ্যই রাখবেন। এতে খাবারের স্বাদ যেমন বাড়ে, তেমনই হজমও ভাল হয়। ফাইবার থাকার কারণে পেটও দীর্ঘক্ষণ ভরা থাকে।

পরিমাণ সম্পর্কে সচেতনতা

ছোলে ভটুরে স্বাস্থ্যকর রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় হল, পরিমাণ মতো খাওয়া। একটি বা দু'টি ভটুরের সঙ্গে বেশি করে ছোলে এবং স্যালাড নিন। এতে মনও ভরবে, আবার ক্যালোরিও মাত্রা ছাড়াবে না।

এক নজরে মনে রাখুন:

ময়দার বদলে গমের আটার ব্যবহার করুন।

কম তেল বা এয়ার ফ্রায়ার বেছে নিন।

ছোলে রান্নায় অতিরিক্ত তেল বা মাখন দেবেন না।

খাওয়ার সময় স্যালাড এবং দই অবশ্যই রাখুন।

স্বাদের পাশাপাশি পরিমাণের দিকেও নজর দিন।


 

POST A COMMENT
Advertisement